জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বাঘাবাড়ী ওয়েল ডিপোতে ডিজেল বিক্রি কমে গেছে। সাপ্তাহিক ছুটির আগের দিন বৃহস্পতিবার বাঘাবাড়ী ওয়েল ডিপো পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা এই তিন কোম্পানিতে ডিজেল বিক্রি হয়েছিল ৪৫ লাখ লিটার। সেখানে রবিবার এই তিন কোম্পানির ডিজেল বিক্রি হয়েছে তিন ভাগের এক ভাগ প্রায় ১৫ লাখ লিটার।
বিক্রি কমে যাওয়ার কারণ ডিপো কর্তৃপক্ষ জানাতে পারেননি।
বাঘাবাড়ী ওয়েল ডিপোর একাধিক সূত্রে জানা গেছে, দাম বৃদ্ধির আগে এক গাড়ি (৯০০০ লিটার) ডিজেল কিনতে পরিবেশকদের ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা দিতে হতো। মূল্যবৃদ্ধির পর ওই পরিমাণ ডিজেল কিনতে ১০ লাখ ২৬ হাজার টাকা লাগছে। এ কারণে মূল্যবৃদ্ধির প্রথম দিনে ডিজেল বিক্রি কমে গেছে। বিপিসি আশা করছে, দু-এক দিনের মধ্যে ডিজেল বিক্রি স্বাভাবিক হবে।
জ্বালানি তেল পরিবেশক ও পাম্প মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হঠাৎ করে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা পুঁজি সংকটে পড়েছেন। এখন এক গাড়ি তেল কিনতে তাদের অতিরিক্ত তিন লাখ ৬ হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে।
এদিকে নয়ন এন্টারপ্রাইজ, খান অ্যান্ড সন্স, আরেফিন ট্রেডার্স প্রভৃতি জ্বালানি তেলের পরিবেশকদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, পুঁজি সংকটের কারণে রবিবার বাঘাবাড়ী ওয়েল ডিপো থেকে অনেকে তেল তুলতে পারেননি।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্রে জানা গেছে, অনেক পাম্প মালিক তেল মজুত করায় রবিবার বাঘাবাড়ী ওয়েল ডিপো থেকে তেল উত্তোলন হ্রাস পেয়েছে।