আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ঠাসা সূচি নিয়ে এবার উচ্চকিত হলেন মঈন আলি। ইংল্যান্ডের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডারের মতে, এখনই এদিকটায় নজর না দিলে দুই বছরের মধ্যে হারিয়ে যাবে ওয়ানডে ক্রিকেট।
গত এক মাসের মধ্যে জস বাটলার, জো রুট ও বেন স্টোকসের কণ্ঠেও উঠে এসেছে একই রকম কথা। স্টোকস তো ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায়ই জানিয়ে দিয়েছেন। চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে ২৫ দিনের মধ্যে ১২টি সীমিত ওভারের ম্যাচ খেলেছে ইংল্যান্ড। ২০২৩ থেকে ২০২৭ পর্যন্ত আইসিসির ভবিষ্যৎ সফর সূচির যে খসড়া প্রকাশ হয়েছে, সেখানে ওয়ানডে ক্রিকেটের গুরুত্ব কমে গেছে উল্লেখযোগ্য হারে। এমনকি আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ সুপার লিগও সামনে বাদ দেওয়া হচ্ছে।
মঈন গত বছর হুট করে বিদায় জানিয়েছেন টেস্ট ক্রিকেটকে। তবে আবারও তার টেস্টে ফেরার সম্ভাবনা আছে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ওয়ানডে নিয়েই বেশি শঙ্কিত তিনি, ‘এই মুহূর্তে এটা টেকসই নয় বলেই মনে হচ্ছে আমার। কিছু একটা করতেই হবে, কারণ আমার ভয় হচ্ছে, বছর দুয়েকের মধ্যে ওয়ানডে ক্রিকেট হারিয়ে যেতে পারে। সত্যি বলতে, এটিকে এখন মনে হয় দীর্ঘ ও বিরক্তিকর এক সংস্করণ।’
৫০ ওভারের ক্রিকেটকে বাঁচাতে এতে কিছুটা পরিবর্তন আনার কথা বলেন ১২১টি ওয়ানডে খেলা মঈন, ‘ম্যাচের মাঝামাঝিতে এমন সময় আসে যা বিরক্তিকর। রান বন্যা থামাতে এই ফরম্যাটের ক্রিকেটে চাপ তৈরি করাটা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। পুরনো সংস্করণের ৫০ ওভারের ক্রিকেটে ফেরা যেতে পারে।’ ২০১৫ সালের পর থেকে ফিল্ডিং দল ১১-৪০ ওভার পর্যন্ত সীমানার ধারে ৪ জন খেলোয়াড় রাখতে পারে। আগে ছিল ৫ জন।
ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের অর্থের হাতছানিতে ক্রিকেটারদের কাছে তা ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে মনে করেন মইন, ‘এই মুহূর্তে সব বলতে গেলে এলোমেলো। আরও গোটা দুই ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগ আসছে, যা আকর্ষণীয়। কিন্তু এসবের জন্য যদি টেস্ট ম্যাচ বা ওয়ানডে মিস করতে হয়, তা দুঃখজনক। কারণ ইংল্যান্ডের হয়ে সবাই সবসময় খেলতে চায়। কেউই বাদ দিতে চায় না। আমার বয়স যখন একটু কম ছিল, বিশ্রাম একদমই পছন্দ করতাম না।’