বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড

প্রতিরোধ যোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির প্রশ্নে রুল

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার পর সশস্ত্র প্রতিবাদকারীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির প্রশ্নে রুল দিয়েছে উচ্চ আদালত। তাদের চিহ্নিত করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও পুনর্বাসন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং তাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনে উচ্চ পর্যায়ের কমিশন গঠনে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না রুলে তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর প্রতিবাদকারী পাঁচজনের করা রিটের ওপর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গতকাল রবিবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেয়। আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব,  সমাজকল্যাণ ও সংস্কৃতি সচিবকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলেছে হাইকোর্ট।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর প্রতিরোধ যোদ্ধা নেত্রকোনার আনিস খোন্দকার, সাইদুল কাদির, সুনামগঞ্জের ইউসুফ আলী, পরিমল সরকার ও গাজীপুরের স্বপন চন্দ হাইকোর্টে এ রিট আবেদনটি করেন। তাদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী বাকির উদ্দিন ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। অ্যাডভোকেট বাকির উদ্দিন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ৪৭ বছর পার হয়েছে। কিন্তু প্রতিরোধযোদ্ধাদের এ অবদান এখনো জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি পায়নি।’