দিনাজপুরের পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়ায় কয়লাভিত্তিক ২৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দু’টি ইউনিটের মধ্যে ১নং ইউনিটটি চালু করা হয়েছে। এতে থেকে জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।
এ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী এসএম ওয়াজেদ আলী সরকার বলেন, সোমবার সকাল থেকে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১নং ইউনিটটি চালু করা হয়। এই ইউনিট থেকে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। ধীরে ধীরে উৎপাদন আরও বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, কেন্দ্রের ২নং ইউনিটকে চালু করার লক্ষ্যে মেরামত কাজ অব্যাহত রয়েছে।
কয়লাভিত্তিক বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩য় ইউনিট ২৭৫ মেগাওয়াট থেকে প্রতিদিন বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে ২৭৫ মেগাওয়াট বলে তিনি দাবি করেন।
একটি সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের ৭ অক্টোবর থেকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১নং ইউনিটকে ওভার হোল্ডিং (বাড়তি সংরক্ষণ)-এর জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।
চলতি বছরের ২০২২ সালের (এপ্রিলে) রমজান মাসে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১নং ইউনিটটি ১০ থেকে ১৫ চালু থাকার পর বন্ধ যায়।
কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী দাবি করেন, পুরো রমজান মাসজুড়ে ১নং ইউনিট উৎপাদনে ছিল। এদিকে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২নং ইউনিটটিকে ওভার হোল্ডিং (বাড়তি সংরক্ষণ)-এর জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। ২নং ইউনিটটি বন্ধ থাকার ফলে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি হচ্ছে।
চলতি বছরের ১৩ এপ্রিল থেকে ১নং ইউনিট বন্ধ ছিল এবং ২নং ইউনিট জানুয়রী মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সহকারী প্রধান প্রকৌশলী মহসীনুল কবির ফিরোজ।
কেন্দ্রের ২নং ইউনিটকে চালু করার লক্ষ্যে সংস্কার করার জন্য ওভার হোলিং এর কাজ চলছে।
চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে ২নং ইউনিটের ওভার হোলিং এর কাজ শেষ হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।