হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে সংবাদ সংগ্রহের সময় ২ সাংবাদিককে মারধর

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে এসপিএ ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক হাসান মিসবাহ ও ক্যামেরাপারসন সাজু মিয়ার ওপর হামলা  হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয় এবং ছিনিয়ে নেয়া হয় মোবাইল ও গাড়ির চাবি। প্রায় দুই ঘণ্টা তাদের আটকে রাখা হয়।

এ বিষয়ে হামলার শিকার সাংবাদিক হাসান মিসবাহ জানান, চিকিৎসা ব্যবস্থায় অব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে তাদের ওপর হামলা হয়। এ সময় এসপিএ ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মিলন নামে এক এসআই তাদের মারধর করে। পরে থানা থেকে পুলিশ গিয়ে মিসবাহ ও সাজুকে উদ্ধার করে।

খবর শুনে ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে যান।

তারা জানান, কামরাঙ্গীরচরের এসপিএ হাসপাতালের মালিক ডা. ওসমানী তার ১৩/১৪ জনের বাহিনী নিয়ে হামলা করেন। পরে খবর দিয়ে পুলিশ আনলে ভুয়া সাংবাদিক বলে মিসবাহর গায়ে হাত তুলে এসআই মিলন।

এ বিষয়ে কামরাঙ্গীরচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিকদের উদ্ধার করে। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া সাংবাদিকদের মারধর করার অভিযোগে কামরাঙ্গীরচর থানার এসআই মিলন হোসেনকে বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।

সাংবাদিক হাসান মিসবাহর ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ)।

ঘটনার পরপরই এক বিবৃতিতে বিএইচআরএফ এর সভাপতি রাশেদ রাব্বি ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বিএইচআরএফ নেতৃবৃন্দ বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।