১০০-এর বেশি দেশে ইন্সটাগ্রামে চালু হয়েছে

১০০-এর বেশি দেশে ইন্সটাগ্রামে ‘নন-ফাঞ্জিবল টোকেন’ বা এনএফটি আপলোড ও শেয়ার করার ফিচার চালুর ঘোষণা দিয়েছেন মেটাপ্রধান মার্ক জাকারবার্গ। ৪ আগস্ট থেকে আফ্রিকা, এশিয়া-প্যাসিফিক এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে চালু হয়েছে ফিচারটি। নতুন ফিচারে নিজের তৈরি অথবা নিজের মালিকানায় থাকা এনএফটি ‘ডিজিটাল কালেক্টেবল’ হিসেবে ইন্সটাগ্রাম প্রোফাইলে দেখানোর সুযোগ পাবেন ব্যবহারকারীরা।

ইন্সটাগ্রাম এনএফটি আপলোড ও শেয়ার করার ফিচার সীমিত পরিসরে চালু করেছিল গত মে মাসে। প্রাথমিক পর্যায়ে ফিচারটির কার্যক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ ছিল শুধু হাতে গোনা কয়েকজন মার্কিন শিল্পীর হাতে। ব্লক চেইননির্ভর এনএফটি প্রযুক্তি মূলত ডিজিটাল ফাইলের মালিকানা নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়। যেকোনো শিল্পকর্ম, গান, ছবি এমনকি টুইটও এনএফটি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

এনএফটি ধারণা প্রযুক্তি হিসেবে পুরোনো হলেও, আকাশচুম্বী দামের কারণে ২০২১ সালে অনেকটা আকস্মিকভাবেই আলোচনায় চলে আসে একাধিক এনএফটি ফাইল। গত বছরের ডিসেম্বরে ‘দ্য মার্জ’ নামের একটি ডিজিটাল শিল্পকর্ম অনলাইনে বিক্রি হয়েছে ৯ কোটি ডলারের বেশি দামে। ইন্সটাগ্রামে এনএফটি ফাইল শেয়ার করার জন্য ব্যবহারকারীকে অ্যাপের সঙ্গে নিজের ডিজিটাল ওয়ালেটটি যুক্ত করে নিতে হবে বলে জানিয়েছে প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট সিনেট।

বড় পরিসরে এনএফটি ফিচারের প্রচলন উদযাপন করতে নিজের ‘লিটল লিগ’ বেইজবল কার্ড থেকে একটি এনএফটি বানানোর ঘোষণা দিয়েছেন মেটাপ্রধান মার্ক জাকারবার্গ। ফেইসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে জাকারবার্গ লিখেছেন, ‘ডিজিটাল কালেক্টেবল এনএফটি ফিচার আরও একশ দেশের ইন্সটাগ্রামে প্রচলনের এবং কয়েনবেজ ও ড্যাপারের সঙ্গে সেবা সমন্বয়ের প্রতি সম্মান জানাতে আমি শিগগির এনএফটি হতে যাওয়া আমার লিটল লিগ বাস্কেটবল কার্ডটি শেয়ার করছি।’

মূল কোম্পানি মেটা শুরুতে ইন্সটাগ্রামের জন্য একটি এনএফটি মার্কেপ্লেস নির্মাণের কথা বললেও এখনো এনএফটি বেচাকেনার ফিচার চালু করেনি তারা। তবে ছবি ও ফটো শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে এনএফটি আপলোড ও শেয়ার করার প্রক্রিয়া চালু করতে থার্ড পার্টি ওয়ালেটের সঙ্গে ইন্সটাগ্রাম অ্যাপ সমন্বয়ের কথা বলেছিল কোম্পানিটি। বৃহস্পতিবারের ঘোষণায় নিজস্ব প্ল্যাটফর্মে কয়েনবেজ এবং ড্যাপারের মতো থার্ড পার্টি ওয়ালেট যোগ করার কথা বলেছে মেটা; এর মধ্যে রেইনবো, মেটামাস্ক এবং ট্রাস্ট ওয়ালেটকে একই সেবার অধীনে নিয়ে আসে ড্যাপার।