নারায়ণগঞ্জে পুতা দিয়ে থেঁতলে এক গৃহবধূকে হত্যা করা হয়েছে। পাবনায় এক স্কুলছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে নোয়াখালীর সুবর্ণচর ও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত সোমবার মধ্যরাত থেকে গতকাল সকাল পর্যন্ত পৃথক ঘটনাগুলো ঘটে। প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদন
নারায়ণগঞ্জ : গতকাল ভোরে ফতুল্লার পাগলা রসুলপুর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। নিহত গৃহবধূ ফারজানা বেগম (২৮) লক্ষ্মীপুর সদরের চর ভোতা গ্রামের মৃত নূরনবীর মেয়ে। এ ঘটনায় ঘাতক স্বামী রুবেলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রুবেল একই জেলার উত্তর চর মার্টিনের মো. হাসানের ছেলে।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) কাজী মাসুদ রানা জানান, তিন মাস পূর্বে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সংসারে কলহ লেগে থাকত। এ নিয়ে গত সোমবার এক সালিশও হয়। গতকাল ভোর ৫টার দিকে স্বামী রুবেল ঘুমিয়ে থাকা ফারজানার মাথায় মসলা বাটার পুতা দিয়ে আঘাত করে। এ সময় সে চিৎকার করে উঠলে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় এলাকাবাসী ঘাতক স্বামী রুবেলকে আটক করে পুলিশে দেয়।
পাবনা : সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নে তৃতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্র রোমিওকে (৮) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল ভোরে বালিয়াডাঙ্গী গ্রামের মির্জা মশিউর রহমানের বাড়ির বাথরুম থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রোমিও ওই গ্রামের মাসুদ আলীর ছেলে।
নোয়াখালী : জেলার সুবর্ণচরে করিম মিয়া (৩৫) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত সোমবার রাত ২টার দিকে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের গ্লোব বাজার এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। করিম মিয়া ওই এলাকার নুর আফসার মাঝির ছেলে।
সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) : সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজের দুই দিন পর জাহিদুল ইসলাম মেহেদী নামে এক যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সকালে মেঘনা নদীর ভাটিবন্দর এলাকায় মরদেহ ভেসে ওঠে।