সর্বোচ্চ ১৫০ ম্যাচ বাংলাদেশের

নতুন ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রামে (এফটিপি) আইসিসির ১২ পূর্ণ সদস্য চার বছরে ৭৭৭ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে। এর মধ্যে বাংলাদেশ খেলবে সবচেয়ে বেশি ১৫০টি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ ম্যাচ ৩৪টি টেস্ট, ওয়ানডে ৫৯টি, আর টি-টোয়েন্টি ৫৭টি। এর বাইরে থাকবে আইসিসির ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ম্যাচ।

আগামী বছর বাংলাদেশ খেলবে ৫ টেস্ট, ১৮ ওয়ানডে ও ১৬ টি-২০। ২০২৪-এ ১৪ টেস্ট, ৯ ওয়ানডে ও ১৭ টি-২০। ২০২৫্-এ ৪ টেস্টের সঙ্গে ১৮টি করে ওয়ানডে ও টি-২০। ২০২৭-এ দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজ অস্ট্রেলিয়ায়। ইংল্যান্ড একই বছর বাংলাদেশে খেলতে আসবে দুই টেস্টের সিরিজ। নতুন এফটিপিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চারটি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ভারত সফরে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। সেই সফরে দুটি টেস্টও খেলবে। (চলমান চক্রের অধীন দুটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে খেলতে আগামী ডিসেম্বরে ভারত আসবে বাংলাদেশে)। আগামী চক্রে পাকিস্তানের সঙ্গে হোম-অ্যাওয়ে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। ২০২৪ সালের আগস্টে পাকিস্তান সফরে দুই টেস্টের সিরিজ খেলার পর পরের বছরের মে মাসে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলতে আবারও পাকিস্তান সফর করবে বাংলাদেশ। এছাড়া ২০২৬ সালের মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সিরিজ খেলবে টাইগাররা। সেই সিরিজে দুটি টেস্ট এবং তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ।

২০২৬ সালের জুনে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসবে অস্ট্রেলিয়া। পরের বছর মার্চে দুটি টেস্ট খেলতে অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবে বাংলাদেশ। বছরের ওই সময়টাতে ১৯৭৯-র পর প্রথম টেস্ট খেলবে অজিরা। আগামী চক্রে ইংল্যান্ড সফর নেই বাংলাদেশের। দুবার ইংল্যান্ড আসবে বাংলাদেশে। আগামী মার্চে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-২০ খেলে যাবে ইংল্যান্ড। আবার বাংলাদেশ আসবে ২০২৭-এর ফেব্রুয়ারি দুটি টেস্ট খেলতে।

নতুন চক্রে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ম্যাচ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। তাদের সঙ্গে ৩ টেস্টের পাশাপাশি আছে ১২ ওয়ানডে, ১৩ টি-২০ ম্যাচ। এরপর  জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আছে ৪ টেস্ট। ৮টি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি।