পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক চালু করছে ইসরায়েল ও তুরস্ক। তারা একে অপরের দেশে রাষ্ট্রদূতও নিয়োগ করবে। গত বুধবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই দেশই নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করবে। আর্থিক, বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরালো করা হবে। এর ফলে আঞ্চলিক স্থায়িত্ব জোরদার হবে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার একটা ধাপ হলো রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করা। ইসরায়েল এই ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে। তুরস্কও তেলআবিবে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০১৮ সালে তুরস্ক ইসরায়েল থেকে তাদের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠায়। গাজা সীমান্তে প্রবল বিক্ষোভ এবং যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দেশের দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নেওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেয় তুরস্ক। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বুধবার জানিয়েছেন, তারা ফিলিস্তিনের বিষয়টি মোটেই ছেড়ে দিচ্ছেন না। রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে তাদের বার্তা বিশ্বের কাছে যাওয়া জরুরি। গত কয়েক মাস ধরে তুরস্ক ও ইসরায়েল দুই পক্ষই সম্পর্ক উন্নতির জন্য চেষ্টা করেছে। গত মার্চে দুই দেশের প্রেসিডেন্ট আঙ্কারায় দেখা করেছিলেন। বুধবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার প্রভাব আঞ্চলিক স্থায়িত্বের ওপর পড়বে।