হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার উন্নয়ন ঘটাতে রোগ নির্ণয়ে ডায়াগনসিসে জোর দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। তিনি বলেছেন, ‘হোমিওপ্যাথিক একটি প্রাচীন চিকিৎসাপদ্ধতি। প্রাচীনকাল থেকে মানুষ এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা নিচ্ছে। এই চিকিৎসায় গবেষণা বাড়াতে হবে। হোমিও চিকিৎসকদের ক্লিনিক্যাল, প্রিক্লিনিক্যাল ট্রায়ালবেস, ল্যাববেস এবং সায়েন্টিফিক অ্যানালাইসিস যখন থাকবে, তখন এই চিকিৎসা ধারার গ্রহণযোগ্যতা সমাজে আরও বাড়বে।’
গতকাল শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক পরিষদের ৫০ বছর পূর্তি ও ‘জাতীয় হোমিওপ্যাথিক কনভেনশন-২০২২’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি নূরুল হুদা বলেন, ‘হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিয়ে যারা কাজ করেন, তারা অন্য কোনো ওষুধ কিংবা চিকিৎসাপদ্ধতির সঙ্গে প্রতিযোগিতা বা বিতর্কে যাবেন না। হোমিও একটি স্বতন্ত্র ধারা। আপনারা প্রতিযোগিতা করবেন নিজের সঙ্গে যে কতটা আধুনিক পদ্ধতিতে চিকিৎসাসেবা পৌঁছাতে পেরেছি। কতজন রোগী আরোগ্য লাভ করেছেন।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক পরিষদের সভাপতি ডা. শেখ ফারুক এলাহি, সহসভাপতি ডা. মো. নজরুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, পরিষদের মহাসচিব ডা. অঞ্জন কুমার দাস প্রমুখ।