বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, গুম হওয়া নেতাকর্মীদের টর্চার সেল আয়নাঘর পৃথিবীর কুখ্যাত কারাগারের মতো ভয়াবহ। আগামীতে দেশের জনগণ আয়নাঘর গুড়িয়ে দেবে। এর সঙ্গে জড়িতদের ভবিষ্যতে বিচার করা হবে।
আজ রবিবার (২১ আগস্ট) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, মিথ্যার পূজারী আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীরা বলে যে, এখানে গুম হয় না। গুম বলে কোনো শব্দ নেই। তাহলে এতগুলো মানুষ গেল কোথায়? সুইডেনভিত্তিক নিউজপোর্টাল নেত্র নিউজের অনুসন্ধানী ভিডিও প্রতিবেদন ‘আয়নাঘর’ নারকীয় এক গোপন সরকারি গুমকেন্দ্রের সন্ধান পেয়েছে, যেখানে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর গুমের শিকার বন্দিদের আটক রেখে নির্যাতন করা হয়। সরকারের অবসানের পরে এগুলো সব উন্মোচিত হবে, বিচারও হবে। এবং এই যুগটি ইতিহাসে গুমের যুগ হিসাবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, জনগণের ঘামঝরানো টাকায় পরিচালিত পুলিশ-র্যাবসহ গোয়েন্দা এজেন্সিগুলো অন্যায়ভাবে ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর লেলিয়ে দিয়ে জনসমাজে সৃষ্টি করেছে আতঙ্কের এক ভীতিকর পরিবেশ। এ সরকার রাষ্ট্রকে সন্ত্রাসী ও বিপজ্জনক রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কথা এমনভাবে প্রকাশ্যে হাটে হাঁড়ি ভাঙার পর সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাহেব এই সত্য ঢাকার জন্য মিথ্যাচার করলেও শুক্রবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন তার বক্তব্য নিয়ে সমালোচনা নাকচ করে দিয়ে আবারো বলেছেন, আমি ভুল কিছু বলিনি। আমি জেনেশুনে বুঝে দায়িত্ব নিয়েই বলেছি। কারণ তাকে এটা নিয়ে তদবিরের দায়িত্ব শেখ হাসিনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সেপ্টেম্বরে ভারত যাচ্ছেন ক্ষমতায় থাকার ধরণা দিতে। আবদুল মোমেন তার পটভূমি রচনা করে এসেছেন।