পচা আলুর ক্ষতিপূরণ ও হিমাগার ভাড়া কমানোর দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ঠাকুরগাঁও আলুচাষি ও ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় মহাসড়কের বিআরটিসি কাউন্টারের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ সময় বিক্ষুব্ধ আলুচাষি ও ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নেতারা মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ এসে তাদের সরিয়ে দেয়।
পরে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালনকালে বক্তারা বলেন, আলু সংরক্ষণের হিমাগারগুলোর মালিকরা সিন্ডিকেট করে অনৈতিকভাবে সারা বাংলাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ভাড়া নির্ধারণ করে এই এলাকার আলুচাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অন্যায় করছে। এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন আলুচাষিরা। রংপুর, বগুড়া, রাজশাহী ও মুন্সীগঞ্জের হিমাগারগুলোতে ২১০-২২০ টাকা বস্তায় আলু সংরক্ষণ করা হলেও এখানে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ৫০ কেজির বস্তা ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়। এছাড়াও হিমাগারে কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে শত শত বস্তার আলু পচে যাচ্ছে। অবিলম্বে হিমাগারে পচে যাওয়া আলুর ক্ষতিপূরণেরও দাবি জানান বক্তারা। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
তবে জেলা হিমাগার মালিক সমিতি সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, কতিপয় ব্যক্তি আলুচাষি ও ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নাম করে কৃষকদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তারা কৃষকদের জিম্মি করে ফেলেছে।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমরা চাই উভয়পক্ষের আলোচনার মধ্য দিয়ে একটা শান্তিপূর্ণ সমাধান হোক। আমরা সেদিক থেকে যেটা করণীয়, সেটাই করছি।’