প্রস্তুতি ম্যাচ ছাড়াই সাফে সাবিনারা

সেপ্টেম্বরে নেপালে বসছে নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ষষ্ঠ আসর। ৬ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের নারী ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই আসরের আগে প্রস্তুতিটা ঠিক প্রত্যাশামতো হচ্ছে না বাংলাদেশ দলের। গোলাম রব্বানী ছোটনের দলের ইচ্ছে ছিল বিদেশি কোনো দলের সঙ্গে নিদেনপক্ষে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার। প্রতিপক্ষ না মেলায় তা না খেলেই ৩ সেপ্টেম্বর নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু যেতে হচ্ছে সাবিনা খাতুনদের।

গুরুত্বপূর্ণ আসরকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন জোর চেষ্টা চালিয়েছিল একটি প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজনের। ঢাকায় আসতে আগ্রহ দেখিয়েছিল আরব আমিরাত। তবে পরে তারা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে। পরে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গেও যোগাযোগ ফলপ্রসূ হয়নি। তাই প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে নিজেদের মান যাচাইয়ের সুযোগ পাচ্ছে না বাংলাদেশ। শেষ মুহূর্তে প্রতিপক্ষ না মিলায় প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে না পারায় কিছুটা হতাশ দলের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন, ‘গত জুনে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দেশের মাটিতে আমরা দুটি ম্যাচ খেলেছিলাম। নেপাল যাওয়ার আগে আরেকটা ম্যাচ খেলতে পারলে আরও ভালো হতো। এখন বাস্তবতা মেনেই নিজেদের মধ্যে ম্যাচ খেলেই প্রস্তুতি ম্যাচের ঘাটতি পুষিয়ে নিতে হবে। আশা করছি মেয়েরা তাদের সেরাটাই দিতে পারবে নেপালে।’

সাফে বাংলাদেশ ‘এ’ গ্রুপে খেলবে। এই গ্রুপটা ফিফার নিষেধাজ্ঞা পাওয়া ভারতকে রেখেই করা হয়েছে। যাদের খেলা নিয়ে সংশয় আছে। তবে গতকালই সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনের তারিখ হয়েছে ২ সেপ্টেম্বর। নির্বাচনী তফসিল ঘোষিত হওয়ায় ধারণা করা যাচ্ছে খুব শিগগিরই ফিফা তাদের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিবে। তাই যদি হয়, ভারতের খেলা নিয়ে তখন সংশয় থাকবে না। সেক্ষেত্রে দল সংখ্যা আগের মতোই সাত থাকবে। ‘এ’ গ্রুপের অপর দুই দল পাকিস্তান ও মালদ্বীপ। বি গ্রুপে স্বাগতিক নেপাল ছাড়াও আছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। গতকাল সাফের প্রস্তুতি ছাড়াও আরও কিছু বিষয় নিয়ে ভার্চুয়াল সভা হয় বাফুফের ওমেন্স উইংসের। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ছাড়াও আগামী নভেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ। এ নিয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে। মাহফুজা আক্তার কিরণ দুটি টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রস্তুতি সম্পর্কে কমিটির সদস্যদের অবহিত করেছেন।