ফরিদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নিজ প্রার্থী হিসেবে সাহাদাত হোসেনের নাম ঘোষণা করেছেন ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর, চরভদ্রাসন) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য এবং আওয়ামী যুবলীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন।
ফরিদপুরের সদরপুরে নিজ নির্বাচনি এলাকায় এক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে আসন্ন জেলা পরিষদের নির্বাচনে তার মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেন তিনি।
সোমবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নে ওই ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল ফকিরের বাড়িতে এ সভার আয়োজন করা হয়।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সংসদ সদস্য নিক্সন চৌধুরী বলেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হয় অথচ ভোট দেওয়ার অধিকার থাকে না। এলাকার মসজিদ মন্দিরের উন্নয়নের জন্য জেলা পরিষদে টাকা চাইলে বলা হয় ফান্ড নাই।
তিনি বলেন, আগে ফরিদপুরে এক দানব ছিল সেই দানবের পতন হয়েছে। সকল টাকা নিয়ে যেত ওই চোর। আজ সেই চোর নেই তারপরও টাকা পাই না। আমরা হক থেকে বঞ্চিত হচ্ছি চোর বাটপারের জন্য।
‘জেলা পরিষদের হরিলুট চলছে’ মন্তব্য করে নিক্সন চৌধুরী বলেন, আগে টাকা চাইলে বলা হইতো ওই ভণ্ড, ভণ্ড খন্দকার নিয়ে গেছে। এখন তো ভণ্ড নেই। এখন কেন মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা টাকা পায় না। তিন বার আমরা ভোট পর্যন্ত দিতে পারিনি।
তিনি বলেন, 'এবার আমি প্রার্থী দেব। প্রার্থী এই মঞ্চেই আছে। ওই সময় নিক্সন চৌধুরী সাহাদাত হোসেনকে সমবেতদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন।'
নিক্সন চৌধুরী বলেন, 'আপনারা শুধু আমাকে সহযোগিতা করেন। আপনাদের ন্যায্য হক বুঝিয়ে দেব। এই কৃষ্ণনগরের মাটি থেকে আন্দোলন শুরু করলাম। আমাদের প্রার্থীকে চেয়ারম্যান বানবো। আমি যা চ্যালেঞ্জ দিই তা করে ছাড়ি। বিচার হয় আমার হবে, শাস্তি হয় আমার হবে, তবে আমি তার পরোয়া করি না।'
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিল্লাল ফকির, সদরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমান, চরভদ্রাসন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কাউসার, সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত হালদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।