আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেছেন, 'বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে হত্যা, খুন ও গুমের রাজনীতি শুরু হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর বিচার বন্ধে ইনডেমিনিটি বিল পাস করা, জেলের অভ্যন্তরে জাতীয় চার নেতাকে হত্যাসহ ৭৫ পরবর্তী দীর্ঘ ২১ বছর এই হত্যা, খুন, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ এবং গুমের শিকারসহ সব ধরনের নির্যাতন সহ্য করেছে আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মী।'
তিনি বলেন, 'আজ যারা গুম-খুন নিয়ে কথা বলছেন ২০০১ সালে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা যখন পাকিস্তানি হায়েনাদের স্টাইলে সংখ্যালঘুসহ ৩০ হাজার মানুষের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়েছিল তখন তারা কেথায় ছিলেন? গুম খুনের ১০টি পোস্টার নিয়ে আজ যারা কথা বলছেন বিএনপি-জামায়াতের আমলে এমন হাজারো নির্যাতনের পোস্টার এখন সামনে আনা উচিত।'
বুধবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে তথ্য ভবন মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স-অ্যাটকো আয়োজিত আলোচনা সভায় আমির হোসেন আমু এসব কথা বলেন।
অ্যাটকো প্রেসিডেন্ট অঞ্জন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও ভাইস প্রেসিডেন্ট ইকবাল সোবহান চৌধুরীর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, '১৫ আগস্ট এবং ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ড কেবল হত্যাকান্ডই নয়, এটা মানবাধিকার লঙ্ঘন। রাজনৈতিক অভিলাষ চরিতার্থ করার জন্য পৃথিবীর কোথাও গত কয়েক দশকে এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি।'
অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার ড. গোলাম রহমান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: শরফুদ্দিন আহমেদ, এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিনসহ অ্যাটকোর পরিচালকবৃন্দ বাঙালি, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিতে আলোচনা করেন।