খাদ্যশস্য মজুদ ১৯ লাখ টন

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার জানিয়েছেন, বর্তমানে (৩০ আগস্ট পর্যন্ত) দেশে ১৯ লাখ ৫০ হাজার ৫৩১ টন খাদ্যশস্য মজুদ আছে। এর মধ্যে ১৭ লাখ ৩৩ হাজার ৩০০ টন চাল, ১ লাখ ৪১ হাজার ১১৮ টন গম ও ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৭ টন ধান। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত আলী আজমের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

খাদ্যমন্ত্রী জানান, জিটুজি পদ্ধতিতে রাশিয়া থেকে গম এবং ভারত, মিয়ানমার ও ভিয়েতনাম হতে চাল আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সংসদ সদস্যের অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দেশের ১৬.৫২ কোটি মানুষের মোট খাদ্যশস্য গ্রহণের প্রয়োজন ২৩৩ দশমিক ৩৫ লাখ টন। এর মধ্যে ২২১ দশমিক ৪১ লাখ টন চাল ও ১১ দশমিক ৯৪ লাখ টন গম। গত ২০২১-২২ অর্থবছরে খাদ্যশস্যের উৎপাদন হয়েছে ৩৮৯ দশমিক ২৯ লাখ টন, যা চাহিদার তুলনায় বেশি।

নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে : নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ভোক্তাদের নাগালের মধ্যে রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে ভোজ্য তেলসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল ও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত জাতীয় পার্টির মুজিবুল হকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এবাদুল করিমের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, গত ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশ ২০৩টি দেশে পণ্য রপ্তানি করেছে। এর মধ্যে ৯১টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে এবং ১১২টি দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ভারসাম্য বাংলাদেশের অনুকূলে রয়েছে। ওই অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ৬০ হাজার ৯৭১ দশমিক ২৬ মিলিয়ন ডলার আর আমদানি ৮২ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ ২০২১-২২ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি ২১ হাজার ৫২৮ দশমিক ৭৪ মিলিয়ন ডলার।

বেনজীর আহমেদের প্রশ্নের জবাবে টিপু মুনশি জানান, ২০২১-২২ অর্থবছরে সার্কভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ১১ হাজার ৯৮৬ দশমিক ৯৮ মিলিয়ন ডলার। এ অর্থবছরে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি ১৯ হাজার ৩৫৩ দশমিক ৩৭ মিলিয়ন ডলার। তিনি জানান, সরকারের প্রচেষ্টায় ১ সেপ্টেম্বর থেকে চীনের বাজারে ৮ হাজার ৯৩০টি পণ্য (৯৮%) শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা পেয়েছে। এর ফলে চীনে রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমবে।