ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের রাবনা বাইপাস এলাকায় বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও দুজন। তাদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্ত সাখাওয়াৎ হোসেনের স্ত্রী নুসরাত জাহান হিমু (৩০)। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হরিপুর গ্রামে। নিহত অপরজন হলেন গোপালপুর উপজেলার চরচতিলা মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও উত্তর বিলডোবা গ্রামের সাইফুল ইসলাম (৫৫)।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত হিমু শাশুড়ি ফরিদা বেগমের চিকিৎসার জন্য ঘাটাইল থেকে সিএনজিযোগে টাঙ্গাইল আসছিলেন। অপরদিকে শিক্ষক সাইফুল ইসলামও চিকিৎসার জন্য আসছিলেন। তাদের বহন করা সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের রাবনা বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে শিক্ষক সাইফুলের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হন হিমু ও তার শাশুড়ি ফরিদাসহ তিনজন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এতে হিমুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকার নেওয়ার পথে হিমুর মৃত্যু হয়। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. নবীন জানান, ঘাটাইল থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে টাঙ্গাইল যাচ্ছিল। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা গাইবান্ধাগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে এক শিক্ষক এবং ঢাকা নেওয়া পথে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নারীসহ অটোরিকশায় থাকা দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে ট্রলির ধাক্কায় নাঈম নামে দুই বছরের এক শিশু মারা গেছে। নাঈম শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের নামোটিকরি এলাকার হাকিদুল ইসলামের ছেলে।
গতকাল শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের কয়লাদিয়াড়ের ধুইনাপাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
শিবগঞ্জ থানার ওসি চৌধুরী জোবায়ের আহমেদ জানান, বিকেলে কয়লাদিয়াড় ধুইনাপাড়া এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় একটি ট্রলি নাঈমকে ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর জখম হয়ে মারা যায়।
তিনি আরও জানান, নাঈম তার নানার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। এ ঘটনায় ট্রলিচালক পলাতক।