নাইক্ষ্যংছড়ি পয়েন্টে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে বলে বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম জানিয়েছেন।
স্থানীয়রা শনিবার মিয়ানমারের দিক থেকে হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালানোর খবর দেওয়ার পর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
পুলিশ সুপার জানান, গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা বাড়ছে, যা নাইক্ষ্যংছড়ি ও ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, শনিবার স্থানীয়রা সীমান্তের কাছে মিয়ানমারের একটি হেলিকপ্টার থেকে গুলিবর্ষণ করতে দেখেছেন এবং সীমান্তের কাছে দুটি মর্টার শেল ফেলেছে।
এসপি তরিকুল ইসলাম জানান, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশসহ (বিজিবি) আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সতর্ক রয়েছে এবং বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের কাছে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেছেন, রাখাইন রাজ্যের অবনতি পরিস্থিতির কারণে এখন মিয়ানমার থেকে কেউ যাতে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বাংলাদেশ ভালোভাবে প্রস্তুত।
মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে মর্টার শেল নিক্ষেপের পর মিয়ানমার পক্ষকে ২ বার সতর্ক করা হয় এবং এ ব্যাপারে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত সোমবার বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিয়াও মোকে তলব করে এবং একদিন আগে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে মিয়ানমারের মর্টার শেল নিক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ জানায়।
খবর: ইউএনবি।