আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো দেশের সর্ববৃহৎ খ্যাতিমান প্রতিষ্ঠান বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের ৩০তম বর্ষে পদার্পণ অনুষ্ঠান।
শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে এ বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানটি সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হয়ে চলে রাত ১০টা পর্যন্ত। অনুষ্ঠানে ৩০ বছর উপলক্ষে ৩০টি মোমবাতি প্রজ্বলন করে কেক কাটা হয়। বিএসবির বিগত দিনের সাফল্য নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা অনুষ্ঠানের মধ্যমণি ছিলেন বিএসবির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান লায়ন এম কে বাশার। এ ছাড়া তিন দশকের বিএসবির নানা কার্যক্রম নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। নতুন শতাব্দীর এডুকেশন লোগো উন্মোচন এবং ডিজিটাল এডুকেশনের কার্যক্রম নিয়ে বিশেষ উপস্থাপনা ছিল অত্যন্ত আকর্ষণীয়। এরপর দেশি-বিদেশি ডেলিগেটদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
আন্তর্জাতিক শিক্ষাঙ্গনে উচ্চশিক্ষার পথকে সুগম করতে ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দীর্ঘ ২৯ বছর বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক ১ লাখের অধিক শিক্ষার্থীকে বিদেশে উচ্চশিক্ষার গ্রহণের জন্য নানামুখী সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বর্তমানে এই শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ দেশে-বিদেশে কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কয়েক হাজার স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্টিফিকেট, ডিপ্লোমা, অনার্স, মাস্টার্স ও পিএইচডি প্রোগ্রামের ৩০০ এর অধিক বিষয়ে অধ্যয়নের ক্ষেত্রে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছে। অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ করে দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে চলছে বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক এবং এরই বহি প্রকাশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি অর্জন করেছে দেশে ও বিদেশে অসংখ্য সম্মাননা স্মারক।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিশিষ্ট বরেণ্য শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থী, বিএসবি- ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপের সম্মানিত শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শুভানুধ্যায়ী, অভিভাবকসহ সমাজের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে লায়ন এম কে বাশার বিএসবি’র নিবেদিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তিন দশকে বিএসবি’এর ঈর্ষণীয় সাফল্যের কারণে এই প্রতিষ্ঠানটি এখন দেশ সেরা। আগামী দিনগুলোতে বিএসবির কার্যক্রমের সাফল্যের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। সেই সঙ্গে নতুন নতুন ডিজিটাল টেকনোলজি বিএসবির কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হবে। তাতে বিএসবির সেবার মান এবং কার্যক্রমে গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে।
বিশিষ্ট লায়ন ব্যক্তিত্ব এবং বিএসবি-ক্যমব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. লায়ন খন্দকার সেলিমা রওশন বলেন, বিএসবি আজ ৩০ বছরে পা রাখল। এ থেকে প্রমাণিত বিএসবির সেবার কার্যক্রম সঠিক পথেই এগোচ্ছে। বিএসবির কার্যক্রমের শাখা-প্রশাখা দেশ থেকে দেশান্তরে বিস্তৃতি লাভ করেছে। যার ফলে বিএসবি লাখ লাখ শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার গঠন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে নেপথ্য কারিগর হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। আমি তাদের অভিনন্দন জানাই এবং যারা ভবিষ্যতে বিদেশে অধ্যয়নের মাধ্যমে ক্যারিয়ার গঠনে আগ্রহী তাদের বিএসবি’তে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বিশেষ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আগত অতিথিদের মনোমুগ্ধ করে।