চিলির জনগণ প্রস্তাবিত নতুন সংবিধান প্রত্যাখ্যান করেছে। স্বৈরশাসক অগাস্তো পিনোচেটের সময়ে প্রণীত সংবিধান প্রতিস্থাপন করতে নতুন এ সংবিধান প্রণয়ন করা হয়। পাস হলে এ-জাতীয় সনদ হতো বিশে^র অন্যতম প্রগতিশীল সংবিধান। তবে গণভোটে চিলির নাগরিকরা বিপুল ভোটে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
চিলি ইলেকটোরাল সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় সব ব্যালট গণনা শেষে দেখা যায়, ৬২ শতাংশ ভোটার প্রস্তাবিত সংবিধান প্রত্যাখ্যান করেছেন। পক্ষে ভোট পড়েছে ৩৮ শতাংশ। প্রস্তাবিত এই সংবিধানের পক্ষে ছিলেন বামপন্থী প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিচ। সংবিধানের ৩৮৮টি অনুচ্ছেদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল বিস্তৃত সামাজিক অধিকার, বর্ধিত পরিবেশ বিধিমালা ও সরকারের ওপর সমাজকল্যাণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের ব্যাপকতর দায়িত্ব। এতে লিঙ্গসমতা ও আদিবাসী প্রতিনিধিদের জন্য সংরক্ষিত আসনের বিষয়টিও প্রস্তাব করা হয়েছিল।
২০১৯ সালে চিলিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের মূল দাবি ছিল সমাজের অসাম্য দূর করার লক্ষ্যে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা। পরে চিলির জনগণ ২০২০ সালের অক্টোবরে নতুন সংবিধান লেখার পক্ষে রায় দিয়েছিলেন। নতুন সংবিধানে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পেনশন খাতে আরও বেশি সমতার দাবি জানানো হয়।