যুক্তরাজ্যের প্রিন্স চার্লস ফিলিপ আর্থার জর্জকে ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার স্থানীয় সময় সকালে রাজধানী লন্ডনের সেন্ট জেমসেস প্রসাদে একটি আনুষ্ঠানিক পরিষদের সামনে রাজা হিসেবে তৃতীয় চার্লসের অভিষেক হয়।
তৃতীয় চার্লসকে রাজা ঘোষণার আগে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সের নেতা পেনি মর্ডান্ট রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যু ঘোষণা করেন।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, তৃতীয় চার্লসকে রাজা ঘোষণার পর ঘোষণায় স্বাক্ষর করা শুরু হয়। প্রিন্স উইলিয়াম ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন আর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস এবং আর্চবিশপ জাস্টিন ওয়েলবি তা প্রত্যক্ষ করেন।
প্রথমে মৃত রানির জন্য পতাকাগুলো অর্ধনমিত অবস্থায় থাকলেও নতুন রাজার সম্মানে সেগুলো পুরোপুরি উত্তোলন করা হয়।
রবিবার পর্যন্ত যুক্তরাজ্যজুড়ে তৃতীয় চার্লসের রাজা হওয়ার ঘোষণা প্রচার করা হবে, তারপর পতাকাগুলো ফের অর্ধনমিত হবে।
মায়ের মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চার্লসকে অনুষ্ঠানিকভাবে রাজা ঘোষণা করা হয়।
এর আগে শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন নতুন রাজা তৃতীয় চার্লস।
তিনি তার ভাষণে যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য রাজ্যের এবং বিশ্ববাসীকে আজীবন সেবা দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।
তিনি তার সদ্য প্রয়াত মা রানী এলিজাবেথের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, তিনি (এলিজাবেথ) ছিলেন অনুপ্রেরণা এবং আমার ও আমার পরিবারের কাছে উদাহরণস্বরূপ। আমার মা জীবনভর যে কাজ করে গিয়েছেন, আমিও সেই কাজেই জীবন উৎসর্গ করবো।
৭৩ বছর বয়সী চার্লস ১৯৫২ সালে ইংল্যান্ডের যুবরাজ হন। তার উপাধি ‘প্রিন্স অব ওয়েলস’ গেল বড় ছেলে উইলিয়ামের মাথায়।
উইলিয়ামকে প্রিন্স অব ওয়েলস হিসেবে দায়িত্ব দিতে পেরে তিনি গর্ববোধ করছেন বলে জানিয়েছেন।
রাজপদবি ত্যাগ করে বিদেশে বসবাস করছেন ছোট ছেলে প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান। ভাষণে তাদের প্রতিও ভালোবাসা জানিয়েছেন চার্লস।
বলেন, ‘আমি হ্যারি ও মেগানের প্রতি আমার ভালোবাসা প্রকাশ করতে চাই। কারণ তারা বিদেশে তাদের জীবন গড়ে তুলছে।’