অষ্টম অধ্যায় : নারী-পুরুষ সমতা
সাধারণ প্রশ্ন
১. নারী নির্যাতনের কমপক্ষে পাঁচটি নেতিবাচক প্রভাব লেখো।
উত্তর : নারী নির্যাতনের পাঁচটি নেতিবাচক প্রভাব হলো :
ক. নারী নির্যাতন হলে নির্যাতিত নারীর শারীরিক, মানসিক ক্ষতি হয়।
খ. যেসব পরিবারে মায়েরা নির্যাতনের শিকার হয় সেসব পরিবারে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধা পায়।
গ. নির্যাতিত নারী সময়মতো কাজে যেতে পারে না, ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়।
ঘ. নারী নির্যাতন মানুষ ও সমাজের জন্য ক্ষতিকর।
ঙ. নারীরা নানা হয়রানির শিকার হলে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।
২. নারী নির্যাতনের পাঁচটি কারণ উল্লেখ করো।
উত্তর : নারী নির্যাতনের পাঁচটি কারণ হলো :
ক. নারীদের নিম্ন সামাজিক মর্যাদা।
খ. যৌতুক প্রথা।
গ. শিক্ষার অভাব।
ঘ. দারিদ্র্য।
ঙ. বিভিন্ন কুসংস্কার।
৩. নারীশিক্ষায় বেগম রোকেয়ার অবদান লেখো।
উত্তর : নারী-পুরুষ সমতা ও নারীশিক্ষার বিষয়ে সমাজকে সচেতন করতে বেগম রোকেয়া অসামান্য অবদান রাখেন। তিনি নারী-পুরুষের মধ্যে বিভাজন নয় বরং সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। নারীশিক্ষার প্রসারে বেগম রোকেয়া ১৯০৫ সালে ভাগলপুরে একটি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি আজীবন নারীশিক্ষার অগ্রগতির জন্য চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। তার অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই মেয়েরা ধীরে ধীরে শিক্ষার আলো পেতে থাকে।
৪. বাংলাদেশের সমাজ উন্নয়নে নারীদের পাঁচটি অবদান লেখো।
উত্তর : বাংলাদেশের সমাজ উন্নয়নে নারীদের পাঁচটি অবদান হলো :
ক. শিক্ষার মাধ্যমে নারীরা সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখছে।
খ. পোশাক শিল্পে নারীরা কাজ করে সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখছে।
গ. বিদেশে চাকরি করে নারীরা সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখছে।
ঘ. নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে নারীরা সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখছে।
ঙ. জনপ্রতিনিধিত্ব করে নারীরা সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখছে।
৫. আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন কীভাবে শুরু হয়?
উত্তর : ১৮৫৭ সালের ৮ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরে, কারখানার নারী শ্রমিকরা ন্যায্য মজুরি ও আট ঘণ্টা শ্রমের দাবিতে রাজপথে আন্দোলন করে। সে সময় তাদের অনেককে পুলিশ নির্যাতন ও গ্রেপ্তার করে। ওইদিনকে সামনে রেখে ১৯০৮ সালে নিউ ইয়র্ক শহরের হাজার হাজার নারী শ্রমিক শিশুশ্রম বন্ধ ও নারীর ভোটাধিকারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করে। পরে জাতিসংঘের উদ্যোগে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করা শুরু হয়।