নাটোরে প্রেমিককে বেঁধে রেখে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে শহরের হাফরাস্তা এলাকায় সাগর মিয়ার ভাড়া বাসায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
আটকেরা হলেন- শহরের কানাইখালী এলাকার আফজাল হোসেনের ছেলে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রনি মিয়া, একই এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে রকি এবং আব্দুল মজিদের ছেলে সোহান। এ ছাড়া ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে মৃদুল হোসেন ও তার স্ত্রী মিথিলা পারভীনকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহী থেকে এক দোকান কর্মচারী (২১) তার এসএসসি পরীক্ষার্থী প্রেমিকাকে নিয়ে নাটোর আসেন। স্থানীয় এক বন্ধু তাদের বিয়ে দেওয়ার কথা বলে হাফরাস্তা এলাকায় মৃদুল ও মিথিলা দম্পতির ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। কিন্তু এই দম্পতি রনি, রকি ও সোহানকে ডেকে নিয়ে যান।
এ সময় তারা তিনজন ছাত্রীর গলায় চাকু ধরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন এবং সেটির ভিডিও ধারণ করেন। টাকা না দিলে সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন তারা। ভুক্তভোগীরা ছাড়া পেয়ে রাত প্রায় ১১টার দিকে নাটোর থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন।
পরে মঙ্গলবার রাতেই মিথিলা ও মৃদুল দম্পতিকে হাফরাস্থা থেকে আটক করে পুলিশ। পরে বুধবার ভোরে তেলকুপি নুরানীপাড়া থেকে রনি, রকি ও সোহানকে আটক করা হয়।
নাটোর সদর থানার এসআই জামাল উদ্দীন বলেন, আমরা অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযানে নামি। ঘটনার পরপরই শহরের হাফরাস্তা থেকে দুই সহযোগী এবং তেলকুপি নূরানীপাড়া থেকে তিন ধর্ষককে আটক করা হয়।
এসআই বলেন, তিন ধর্ষক শহরের চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে নাটোর সদর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
ভুক্তভোগী ছাত্রীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নাটোর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।