গণফোরাম নির্বাহী পরিষদের সভায় সভাপতি মোস্তফা মোহসীন মন্টু বলেছেন, বিরোধী মতের ওপর ন্যাক্কারজনকভাবে পুলিশ-আওয়ামী সন্ত্রাসী কর্তৃক হামলা-বাধা, মিথ্যা মামলা ও জেল-জুলুম সংবিধান পরিপন্থি। নাগরিকের রাজনৈতিক অধিকার শান্তিপূর্ণ মিছিল-মিটিং ও সমাবেশে হামলা চালিয়ে দেশে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করে পুনরায় জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে ক্ষমতা দখলের পাঁয়তারা করছে রাতের ভোটের অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকার।
তিনি বলেন, পুলিশকে দলীয় বাহিনীর মতো ব্যবহার করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে জনগণকে ভীত সন্ত্রস্ত করার চেষ্টা করছে তারা। বিরোধী মতের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন করে সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি পুরোপুরি ভাবে ধ্বংস করতে আজকের আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট লীগের স্বৈরাচারী চরিত্র ধারণ করেছে। বাংলাদেশের জনগণ বুঝতে পেরেছে এই ফ্যাসিস্ট রূপ ধারণকারী আওয়ামী লীগ দেশ ও জাতির কল্যাণ বয়ে আনতে পারবে না। তাই জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্দলীয়-নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠায় রাজপথে সচেষ্ট থাকবে গণফোরাম।
শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় গণফোরাম সভাপতির কার্যালয়ে নির্বাহী পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়।
গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে কোনো বাধা দেওয়া হবে না বলেও প্রতিনিয়ত হামলা করে ধোঁকাবাজি করছে স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকার। এই সরকার জনগণের নয় লুটেরাদের সরকার। চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনগণ যখন পিষ্ট তখন এই মিথ্যুক সরকার উন্নয়নের বানোয়াট গল্প বলে তারা নাকি জনগণকে শান্তিতে রেখেছে। এই সরকার জনগণকে নিরাপত্তাহীনতায় রেখেছে, অশান্তিতে রেখেছে শান্তিতে নয়। বিচারহীনতার স্বর্গরাজ্য বানিয়েছে বাংলাদেশকে। কিন্তু ভুলে যাবেন না বিচারহীনতার সংস্কৃতি চালু করে যে অপরাধীদের বাঁচিয়েছেন তাদের বিচার এদেশের মাটিতেই হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গণফোরাম নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ, অ্যাডভোকেট এ কে এম জগলুল হায়দার আফ্রিক, মহিউদ্দিন আবদুল কাদের, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান ফারুক।