স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, '২০০৯ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সারাদেশে ৮২ হাজার ৫৮৩ জনকে পুলিশে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত অন্যান্য বাহিনীর সদস্যদের শক্তিশালী করে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আমরা কাজ করছি।'
তিনি বলেন, '১৯৭৫ সালে রাজারবাগে পুলিশের উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন তোমাদেরকে জনগণের পুলিশ হতে হবে। তোমরা বৈদেশিক উপ-মহাদেশীয় কোন শাসনকর্তার পুলিশ নও। তোমরা এদেশের পুলিশ। তোমাদের এদেশে মানুষের পাশে থাকতে হবে। আজকে সেই জায়গাতেই পুলিশ আসছে। আপনারা ১৫-২০ বছর আগে যে পুলিশ দেখে ছিলেন সেই পুলিশের সঙ্গে বর্তমান পুলিশের অনেক পার্থক্য রয়েছে। এরা যেমন জীবন উৎসর্গ করে তেমনি তাদের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ক্রাইম ডিটেকশনের জন্য সময় নেয় না।'
শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পুলিশ লাইনস মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
জিএমপি’র কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেন। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ। অনুষ্ঠানে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান, পুলিশ সুপার কাজী শফিকুল আলম ছাড়াও বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, বিকেলে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। হাতি, ঘোড়ার গাড়ি, মোটরবাইক সহকারে শোভাযাত্রাটি পুলিশ লাইনসে এসে শেষ হয়। এখানে বেলুন, পায়রা উড়িয়ে এবং কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করা হয়। রাতে জনপ্রিয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।
মন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু নারী পুলিশ তৈরি করার জন্য আমাদের আহ্বান জানিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি নারী পুলিশ গঠনের জন্য আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা নারী পুলিশ গঠন করে সেখানেও সফলতা পেয়েছি।