আসন্ন ৬১ জেলা পরিষদ নির্বাচনে ২২ জেলায় চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে চলেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী। বাকি ৩৯ জেলায় চেয়ারম্যান পদে দুই বা তার অধিক প্রার্থী রয়েছেন। আগামী ১৭ অক্টোবর ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
যাচাই-বাছাই শেষে চেয়ারম্যান পদে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪২ জন। এছাড়া সাধারণ সদস্য পদে এক হাজার ৭৪১ জন ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ৬৭৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে।
রবিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাওয়া জেলাগুলো হলো-কুমিল্লা, কুড়িগ্রাম, গোপালগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঝালকাঠি, টাঙ্গাইল, ঠাকুরগাঁও, নওগাঁ, নারায়ণগঞ্জ, নাটোর, ফেনী, বরগুনা, বাগেরহাট, ভোলা, মাদারীপুর, মুন্সীগঞ্জ, মৌলভীবাজার, লক্ষ্মীপুর, লালমনিরহাট, শরীয়তপুর, সিরাজগঞ্জ ও সিলেট।
এর মধ্যে গোপালগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঝালকাঠি, টাঙ্গাইল, ঠাকুরগাঁও, নওগাঁ, নারায়ণগঞ্জ, ফেনী, বরগুনা, বাগেরহাট, ভেলা, মাদারীপুর, মুন্সীগঞ্জ, মৌলভীবাজার, লক্ষ্মীপুর, লালমনিরহাট, শরীয়তপুর, সিরাজগঞ্জ ও সিলেট জেলায় একজন করে প্রার্থী মনোয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এছাড়া কুমিল্লা, কুড়িগ্রাম ও নাটোরে একাধিক প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিলেও যাচাই-বাছাইয়ে অন্যদের প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত একজন করে বৈধ প্রার্থী রয়েছেন।
মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল করায় সময় ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর, আপিল নিষ্পত্তি ২২ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ২৬ সেপ্টেম্বর। আর ভোটগ্রহণ ১৭ অক্টোবর।