সম্প্রতি ফারুক বেপারি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতির পদ পেয়েছেন। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য চলতি বছর ৩১ জুলাই সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তাকে এ পদ দেওয়ার কথা জানান। ফারুক বেপারির বিরুদ্ধে ছাত্রদল করার অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায়ও সরব উপস্থিতি দেখা গেছে তার। থাকেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। আশুগঞ্জে আদি বাড়ি নব্য এ ছাত্রলীগ নেতার। তার বিরুদ্ধে জেলা ও উপজেলা শাখা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ লিখিত অভিযোগ দিয়েছে সংগঠনের দপ্তরে।
জানতে চাইলে ফারুক বেপারি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমার নামে করা অভিযোগ ভুয়া। আমি কখনো ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম না।’
কিন্তু উপজেলা ছাত্রলীগের শীর্ষ এক নেতা নাম প্রকাশ না করে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ফারুক বেপারি সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন। তার পুরো পরিবার আশুগঞ্জে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।’
ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদ উল্লাহ রিফাত। স্থানীয় একটি হত্যা মামলার আসামি। বাবা আবদুল কাদির বিএনপির স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত দীর্ঘদিন ধরে। জামায়াতের ছাত্রসংগঠন শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে রিফাতের বিরুদ্ধে।
রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিবুল ইসলাম রানা। ২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি গঠিত রাজশাহী কলেজ মুসলিম হলের ছাত্রদলের কমিটিতে ৬ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক পদে ছিলেন। ছাত্রদলে দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় ২০১৯ সালে ঢাকায় চলে আসেন। সহজেই সন্ধান পেয়ে যান ছাত্রলীগ সভাপতি জয়ের। ভোল পাল্টে ছাত্রলীগ সেজে যান রানা। ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার কথা ইতিমধ্যে ফলাও করে গণমাধ্যমে এসেছে। অভিযোগ আছে, ছাত্রলীগ সভাপতি জয়ের মায়ের আবদার রক্ষা করতে গিয়ে ছাত্রশিবির করা রানা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির পদ পেয়েছেন।
তবে গত রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভায় ছাত্রলীগ সভাপতি জয় দাবি করেন, রানা ছাত্রলীগ করে। তাকে শিবির বানাচ্ছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। কিন্তু রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রকি কুমার ঘোষ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সাকিবুল ইসলাম রানা আগে শিবির ও পরে ছাত্রদল করতেন।’
জামালপুরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটিতে পদ দেওয়া হয়েছে বিএনপির পরিবারের এক সদস্যকে। ৬৩ সদস্যের ওই আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক কাউছার আহমেদের বাবা আনোয়ার হোসেন বিএনপির প্রভাবশালী নেতা। এ নিয়ে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা টানা আন্দোলন করেন। গত ৩১ জুলাই সেখানে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আহ্বায়ক কমিটি দেন জয়-লেখক। তারা এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি নিজেদের ফেইসবুক গ্রুপে দেন।
ওই আহ্বায়ক কমিটির এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে এ কমিটি দেওয়া হয়েছে।’
ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা দেশ রূপান্তরকে জানান, সারা দেশে সংগঠনের ১১১টি সাংগঠনিক জেলা রয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছর জয়-লেখক ২৮টি সাংগঠনিক ইউনিটের কমিটি ঘোষণা করেছেন। একমাত্র নাটোর জেলা ছাত্রলীগ বাদে সব ইউনিটের কমিটিই ঢাকায় বসে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। এভাবে কমিটি দেওয়া সংগঠনের গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী।
সশরীরে গিয়ে সম্মেলন করে কমিটি না দেওয়ায় আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে জয়-লেখকের বিরুদ্ধে। এভাবে কমিটি করার ফলে সংগঠনে অনুপ্রবেশ সহজ হয়ে উঠেছে বলে দাবি করেন ছাত্রলীগের অধিকাংশ নেতা। ওই নেতারা বলছেন, অনুপ্রবেশকারীরা ছাত্রলীগের পদ বাগিয়ে নিতে পারলে ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিষ্কণ্টক হবে, এ জন্য পদ পেতে আর্থিক লেনদেনে তাদের অনীহা থাকে না। বরং এটাকে বিনিয়োগ বলে মনে করে।
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ছাত্রলীগের কমিটি ৩০১ সদস্যের। কিন্তু জয় ও লেখক সদস্য বাড়িয়ে হাজারখানেক নেতার ঢাউস কমিটি করেছেন। সংগঠন বৈঠকে এরকম সিদ্ধান্ত না হলেও নিজেদের ইচ্ছায় চিঠি দিয়ে তারা সদস্য বাড়িয়েছেন।
নানা অভিযোগ সম্পর্কে জানতে সভাপতি জয় ও লেখককে বেশ কয়েকবার মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তাদের কারোরই বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ছাত্রলীগের সম্পাদকমন্ডলীর একাধিক নেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, গত একযুগে সারা দেশে ছাত্রলীগে হাজার হাজার অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটিতেও আছে অনুপ্রবেশকারী। ঘোষিত সাংগঠনিক ইউনিটগুলোতে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও অন্যান্য পদেও ছাত্রদল-ছাত্রশিবির করা নেতারা ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন। সাংগঠনিক ইউনিটগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অনুপ্রবেশ ঘটেছে জয়-লেখকের যুগে। সভাপতি জয় ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও তার পরিবারের বিরুদ্ধে আছে বিএনপি করার অভিযোগ। জয়ের বাবা আবদুল আলিম খান ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বরিশালের বাবুগঞ্জ আসনে বিএনপির ডামি প্রার্থী ছিলেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আবেদীনের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন। জয়ের আপন চাচাতো ভাই কামরুল আহসান খান হিমু বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি। ২০২১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকাকে পরাজিত করেন তিনি। ওই নির্বাচনে ভাইকে বিজয়ী করতে জয় সব ধরনের সহযোগিতা করেছেন।
এর আগেও জয়-লেখকের আর্থিক লেনদেন, গঠনতন্ত্র না মানা, সংগঠনের নেতারা সাক্ষাৎ না পাওয়া, তাদের এড়িয়ে চলা, দিনে না এসে মধ্যরাতে ক্যাম্পাসে আসা ও মতের মিল না হলে বহিষ্কারের অভিযোগ ছিল, যা গণমাধ্যমেও এসেছে।
ছাত্রলীগের সহসভাপতি সোহান খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির নেতাদের ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশ ঘটার পর তাদের অন্য সংগঠনের পদ পেতে আর তেমন বেগ পেতে হয় না।’ তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগের পদ দেওয়ার আগে ভালো করে যাচাই-বাছাই করা উচিত কাকে, কোন পরিবারের ছেলেকে পদ দেওয়া হচ্ছে। ছাত্রলীগে ঢুকে আওয়ামী লীগের অন্য সংগঠনগুলোতেও জায়গা করে নেওয়া সহজ হয়ে যায় ভিন্ন আদর্শের অনুপ্রবেশকারী নেতাকর্মীদের।’
আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংগঠনের অভিভাবক দাবি করে ছাত্রলীগ। সংগঠনটি আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন। দলের সভাপতি কাউকে ছাত্রলীগের নেতা করার আগে তার পারিবারিক ও মতাদর্শিক অবস্থানের খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মাযহার শামীম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘জয়-লেখক দায়িত্ব নেওয়ার পর ছাত্রলীগের গঠণতন্ত্র লঙ্ঘন করেই চলেছেন। নিজেদের ইচ্ছায় বহিষ্কার করেন, নিজেদের ইচ্ছায় নেতা বানান। সাংগঠনিক ফোরামে বসে কোনো আলোচনা না করেই দুজনের সিদ্ধান্তে ছাত্রলীগ চালিয়ে যাচ্ছেন জয়-লেখক।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগের সহসভাপতি পদের এক নেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘গঠনতন্ত্র লঙ্ঘনের স্পষ্ট উদাহরণ হলো ৩৪ বছর বয়সী ইন্দ্রনীল দেব শর্মাকে ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক বানানো। এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সংসদের সভা না করে জয়-লেখক যেকোনো সিদ্ধান্ত এককভাবে নেওয়াও গঠনতন্ত্রবিরোধী।’
নাজির হোসেন, কেন্দ্রীয় উপ-দপ্তর সম্পাদক। তাকে ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখার কারণে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রতিবাদ জানায়। নাজির উপজেলার কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের বক্ষতল গ্রামের মাওলানা সাজেদুর রহমানের ছেলে। তার বাবা জেলা জামায়াতের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার দাদা মৃত রিয়াজউদ্দিন সৈয়দপুর জামায়াতের বড় নেতা ছিলেন। নাজিরের চাচা মাওলানা রুকু সৈয়দপুর জামায়াতের নেতা। চাচাতো ভাই জিল্লুর আহমেদ সৈয়দপুর উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি। তার পুরো পরিবার জামায়াত ও শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। অথচ সেই নাজির ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
জানতে চাইলে নাজির দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমার পরিবার নিয়ে যেসব অভিযোগ, সবই মিথ্যা।’
বেনজির নিশি ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। ২০১৩ সালের আগে ছাত্রদল করেছেন। মাগুরার মেয়ে নিশির পুরো পরিবার বিএনপির আদর্শ লালন করে। তার আপন মামা কুতুবউদ্দিন মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহসভাপতি। তার বড় ভাই স্বেচ্ছাসেবক দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। গত সপ্তাহে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এ ছাড়াও নিজ সংগঠন ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় রোকেয়া হলের এজিএস ফাল্গুনী তন্বীকে নির্যাতন করার অভিযোগ আছে নিশির বিরুদ্ধে। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা হয়েছে।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে নিশি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এগুলো পুরনো কাসুন্দি। আমাদের পরিবারের কেউ রাজনীতি করে না, আমি ছাড়া। আমাদের পরিবারের সদস্যদের নাম রাখা হয় বাংলাদেশের বিভিন্ন রাষ্ট্রপতির নামে। আমার এক ভাইয়ের নাম জিয়া, আরেক ভাইয়ের নাম এরশাদ। এ জন্য বলা হয় আমরা ভিন্ন আদর্শের। এগুলো মিথ্যাচার।’ ফল্গুনী তন্বী প্রসঙ্গে নিশি বলেন, ‘মামলা চলছে, সত্য-মিথ্যা আদালতেই প্রমাণ হবে।’
আল-আমিন রহমান বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক। আল-আমিন বিশ্ববিদ্যালয় জাসদ ছাত্রলীগের সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। মাহমুদুল হাসান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি। তার নামেও ছাত্রদল রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ আছে। গণভবন থেকে বাদ দেওয়ার জন্য ১৭ জনের নাম আসে। কিন্তু সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য তাকে রক্ষা করেছেন। বাদের তালিকায় থাকা এ নেতা শোকের মাস আগস্টের ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন। সেই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন।
গত সোমবার আওয়ামী লীগের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যৌথসভায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের সভাপতি জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখককে তাদের বিতর্কিত কর্মকান্ড নিয়ে হুঁশিয়ার করেন। ওই দিন তিনি ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশের ঘটনায় ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কমিটি দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রেস রিলিজে (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি) কমিটি দেওয়ার কারণে জেলায় জেলায় কমিটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হচ্ছে। নিয়ন্ত্রণ নেই কোথাও। অনুপ্রবেশ ঘটছে।’ তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগকে আর বিতর্কিত করা যাবে না।’
এর আগে গত ৩১ আগস্ট শোকের মাসে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সংগঠনের নেতাদের কঠোর নির্দেশনা দেন।
তবে আর্থিক লেনদেনের কথা সবসময়ই অস্বীকার করে আসছেন ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতা জয়-লেখক। কিন্তু ছাত্রলীগের বড় অংশ আর্থিক লেনদেনের অস্বীকার করাকে মিথ্যাচার বলে দাবি করেছে। আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তোলা ছাত্রলীগের বড় অংশের নেতারা বলেন, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কমিটি দেওয়ার মূল উদ্দেশ্যই আর্থিক লেনদেন। জয়-লেখক প্রমাণ চায়। কিন্তু নগদে লেনদেন করে বলেই প্রমাণ থাকে না। অভিযোগ তোলা নেতাদের দাবি, আর্থিক লেনদেন না থাকলে কাগুজে কমিটির কারণ কী?