মুন্সিগঞ্জে সংঘর্ষ

বিএনপি নেতাকর্মীদের আসামি করে পুলিশ ও শ্রমিক লীগ নেতার মামলা

মুন্সিগঞ্জ শহরের উপকণ্ঠ মুক্তারপুর পুরাতন ফেরিঘাটে পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দেড় সহস্রাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। এতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে অন্তত ২৪ জনকে। বৃহস্পতিবার রাতে সদর থানায় ওই দুই মামলা করে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অর্থ) সুমন দেব মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, পুলিশের ওপর হামলা, অস্ত্র লুটের চেষ্টা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় সদর থানায় এসআই মাঈনউদ্দিন বাদী হয়ে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব কামরুজ্জামান রতনকে প্রধান আসামি করে দলের ৩১৩ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১ হাজার ২০০ জনকে আসামি করে এ মামলা দায়ের করেন। এসআই মাঈনউদ্দিনের দায়ের করা এ মামলায় আটক ২৪ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আগের দিন বুধবার রাতে মুক্তারপুরসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ২৪ জনকে আটক করে। তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরো জানান, মুক্তারপুর এলাকার বাসিন্দা শ্রমিক লীগ কর্মী আব্দুল মালেক বাদী হয়ে দোকানপাট ভাঙচুর ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আরেকটি মামলা দায়ের করেন। এতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুল হাইয়ের ছোট ভাই ও সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। মামলায় ৫২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরো ২০০ জনকে।

বুধবার বিকেলে মুন্সিগঞ্জ শহরের উপকণ্ঠ মুক্তারপুর পুরাতন ফেরিঘাট এলাকায় পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশ, সাংবাদিক ও বিএনপি নেতাকর্মীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়।