বিয়ের দশ বছর পর একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম, বাঁচল না কেউ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সালেমা খাতুন নামে এক গৃহবধূ। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার অ্যাপোলো ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কোনো ধরনের অস্ত্রোপচার ছাড়া পাঁচ সন্তানের জন্ম দেন তিনি। তবে এর কিছুক্ষণ পরই একে একে সব সন্তান মারা যায়।

সালেমা খাতুন (২৯) চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের কানাইডাঙ্গা গ্রামের ঝন্টু মিয়ার স্ত্রী।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুনুর রশীদ বলেন, স্বামীর সঙ্গে ওই প্রসূতি বৃহস্পতিবার বিকেলে পেট ব্যথা নিয়ে ক্লিনিকে আসেন। ক্লিনিকে আসার পর প্রথমে একটি সন্তান প্রসব করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসকের সহযোগিতায় বাকি চার সন্তান প্রসব করানো হয়। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই পাঁচ নবজাতকের মৃত্যু হয়।

সালেমার খাতুনের স্বামী ঝন্টু মিয়া বলেন, বিকেলে স্ত্রীর পেট ব্যথা হলে ক্লিনিকে নিয়ে আসি। এরপরই একে একে পাঁচটি সন্তান প্রসব করে। বিয়ের ১০ বছর পর সন্তানের মুখ দেখলাম। কিন্তু কেউ বেঁচে রইল না। বর্তমানে আমার স্ত্রী সুস্থ আছেন।

কর্তব্যরত চিকিৎসক মাসুমা ফেরদৌস বলেন, বাচ্চাদের বয়স সাড়ে ৪ মাস। মূলত জরায়ুর সমস্যার কারণে প্রসব হয়। একটি মেয়ে, দুটি ছেলে এবং বাকি দুটা এক সঙ্গে জোড়া থাকায় চিহ্নিত করা যায়নি। সালেমা খাতুন চিকিৎসাধীন এবং সুস্থ আছেন।