ম্যাচের ২৯ মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে নিস ডিফেন্ডার মেসিকে বাজেভাবে ফেলে দেন ব্রাজিলিয়ান দান্তে। ফ্রি-কিক পায় পিএসজি। হাফসার্কেলের মাথা থেকে বাঁ পায়ের বাঁকানো ফ্রি-কিক মানব দেয়াল টপকে কোনা দিয়ে ঢোকে পোস্টে। নিস গোলরক্ষকের তা তাকিয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না। কদিন আগে প্রীতিম্যাচে জ্যামাইকার বিপক্ষে ফ্রি-কিকে গ্রাউন্ডার শটে গোল করেছিলেন মেসি। তবে মেসির এমন বাঁকানো শটের গোল অনেক দিন পর দেখা গেল।
ক্লাব ফুটবলে এর আগে সবশেষ ফ্রি-কিকে গোল করেছিলেন মেসি বার্সেলোনায় থাকতে। ২০২০-২১ লা লিগার ৩৪তম রাউন্ডে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে মেসির গোলটি ছিল নিসের বিপক্ষে গোলের মতোই। সরাসরি ফ্রি-কিকে মেসির গোলের সংখ্যা হলো ৬০টি। তবে পিএসজিতে ফ্রি-কিক থেকে এই প্রথম গোল পেলেন তিনি! গেল মৌসুমে দলটির হয়ে ১১ গোল করলেও ফ্রি-কিকে গোল ছিল না। মৌসুমে পিএসজির হয়ে মেসির সপ্তম গোলে শনিবার প্রথমার্ধে এগিয়ে থাকে পিএসজি। বিরতির পরপরই সমতা ফেরায় নিস। বদলি হিসেবে নামা কিলিয়ান এমবাপে ৮৩ মিনিটে গোল করলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পিএসজি। পরে বদলি নেমে জয়সূচক গোল করেন কিলিয়ান এমবাপে। মৌসুমে খেলা ১০ ম্যাচে ফরাসি ফরোয়ার্ডের গোল দাঁড়াল ১১। দলের দুই সেরা তারকা গোল করেছেন, মাঠ ছেড়েছেন জয় নিয়ে। তারপরও সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে ছেলেদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট হতে পারছেন না পিএসজি কোচ ক্রিস্তফ গালতিয়ের। আরও ভালোভাবে জিততে না পারার দায় অবশ্য তিনি দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিরতির ক্লান্তিকেই, ‘অনেক খেলোয়াড় ভ্রমণ করে এসেছে এবং অনেক সময় মাঠেও কাটিয়ে এসেছে। আন্তর্জাতিক বিরতির পর এই ধরনের ম্যাচে এমনটা সবসময় হয়ে থাকে। উজ্জীবিত হয়ে শুরু করতেই আমি এমন একাদশ বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। পাশাপাশি আমার খেলোয়াড়েরা যাতে এই স্কোয়াডের অংশ হতে পারে, সেই চেষ্টাও ছিল।’