বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ চিকিৎসকের ফ্ল্যাটে

সাভারের আশুলিয়ায় এক চিকিৎসকের ফ্ল্যাট থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার নাম নুসরাত মীম ওরফে কুলসুম (২৬)। গত বুধবার রাতে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় চিকিৎসক ফিরোজ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কুলসুম গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। পাশাপাশি একটি পোশাক কারখানার মানবসম্পদ বিভাগে কাজ করতেন। তার বাড়ি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ থানার দেহেরগতি গ্রামে।

থানা পুলিশ জানায়, কুলসুম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি স্থানীয় একটি তৈরি পোশাক কারখানার মানবসম্পদ বিভাগে কাজ করতেন। এ সময় সেখানকার মেডিকেল অফিসার ফিরোজ আলমের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সম্পর্ক চলাকালেই ছয় মাস আগে ফিরোজ আরেকজন চিকিৎসককে বিয়ে করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফিরোজ আলম পুলিশকে জানিয়েছেন, বিয়ের বিষয়টি জানতে পেরে নুসরাত মীম তার ফ্ল্যাটে যান। এ সময় আমার স্ত্রী দেশের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। সেখানে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দরজা আটকে ঘরের সিলিংয়ের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন মীম।

আশুলিয়া থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এ ঘটনায় মীমের ভাই বাদী হয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার দায়ে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।

আরেক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর অপমৃত্যু : রাজধানীর বাড্ডায় অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন করে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন নুসরাত জাহান লারা (২১) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির বিবিএর ছাত্রী তিনি। গত বুধবার (৫ অক্টোবর) রাত ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

বাড্ডা থানার এসআই ফাতেমা সিদ্দিকা সোমা জানান, লারা পরিবারের সঙ্গে মধ্যবাড্ডা আদর্শনগর এলাকায় থাকতেন। তার বাবার নাম হুমায়ুন কবির। বুধবার রাতে বাসায় তিনি অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে পরিবারের সদস্যরা ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাত ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়। তবে তার মৃত্যুর কারণ জানার চেষ্টা চলছে। মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।