বয়স হয়েছে ৩৭। তবে ভারে এখনও নুব্জ্য হননি। সেটার প্রমাণই দিলেন কাল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে। এভারটনের বিপক্ষেও বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। অ্যান্থনি মার্শিয়াল চোটে পড়ায় মাঠে নামার সুযোগটা একটু আগেভাগেই পেয়ে যান।
ইউনাইটেডকে সমতায় ফেরানো ডস সান্তোসের ১৫ মিনিটের গোলটিতে সহায়তা করা মার্শিয়াল চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন ২৯ মিনিটে। তাঁর জায়গায় মাঠে নেমে ৪৪ মিনিটে দলকে জেতানো গোলটি করেন রোনালদো। গোলটি পেতে কাসেমিরোর থ্রু বলটি নিয়ন্ত্রণে নিতে রোনালদো যে দৌড় দেন, সেটি দেখে অনেকেরই হয়তো মনে পড়ে যাবে তাঁর ক্যারিয়ারের সোনালি সময়ের কথা। বলটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে কাছের পোস্ট দিয়ে নিচু শটে বল জালে জড়ান রোনালদো।
এভারটনের মাঠে ২০০৫ সালের পর প্রথম গোল পেলেন ইউনাইটেডের পর্তুগিজ তারকা। যে গোলে একটি মাইলফলকেও পৌঁছে গেলেন। ক্লাব ক্যারিয়ারে এটা তাঁর ৭০০তম গোল। গোলগুলো তিনি করেছেন চারটি ক্লাবের হয়ে। নিজের দেশের ক্লাব স্পোর্তিংয়ের হয়ে করেছেন মাত্র ৫ গোল।
এরপর ইউনাইটেডে প্রথম দফায় ১১৮ গোল আর চলমান দ্বিতীয় দফায় এই নিয়ে ২৬ গোল। ক্লাব ক্যারিয়ারে রোনালদোর সবচেয়ে বেশি গোল রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে, ৪৫০টি। ইউনাইটেডে দ্বিতীয় দফায় খেলতে আসার আগে জুভেন্টাসের জার্সিতে করেছেন ১০১ গোল।
রোনালদোর মতো একটি মাইলফলক ছুঁয়েছে ইউনাইটেডও। প্রথম গোল খেয়ে প্রিমিয়ার লিগে ১০০ ম্যাচ জেতা প্রথম দল তারা।