৫ মন ভালো করা বলিউডি ছবি দেখে নিন বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে

আজ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। শরীরের সঙ্গে সঙ্গে মনের খেয়াল রাখাও সমান জরুরি- এমনটাই পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। তাদের বক্তব্য, মানসিক স্বাস্থ্যকে কোনোভাবেই উপেক্ষা করা চলবে না। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে শারীরিক অসুস্থতার চেয়েও মনের অসুখ সারিয়ে তোলা বেশি জরুরি। তাই ভালো থাকার জন্য শরীর ও মনের উপযুক্ত ভারসাম্য বজায় রাখতে বলেন চিকিৎসকরা।

চিকিৎসকদের পরামর্শ সত্ত্বেও মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে এখনো অনেকে যত্নশীল নন। অনেকেই এখনো মনের অসুখকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর আরো বেশি করে গুরুত্ব দিতে তাই তার জন্য আলাদা দিন ধার্য করা হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বলিউড ছবিতে মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছে।

আজ ১০ অক্টোবর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে রইল তেমন ৫টি বলিউড ছবির তালিকা, যা দেখলে মনের অসুখ এবং তাকে ঘিরে বেড়ে ওঠা সমস্যাগুলোর গুরুত্ব বোঝা যায় সহজেই।

ডিয়ার জিন্দেগি
শাহরুখ খান এবং আলিয়া ভাট অভিনীত ২০১৬ সালের এ ছবি মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরই আলোকপাত করে। বক্স অফিসে ছবি সাড়া ফেলেছিল। ১০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছিল লাভের অঙ্ক। গতানুগতিক প্রেম বা মারকাটারি অ্যাকশনের গল্প বলেনি ডিয়ার জিন্দেগি। রোজকার সমস্যা, সম্পর্কের জটিলতাকে পাশ কাটিয়ে জীবনে কিভাবে ভালো থাকতে হয়, আলিয়াকে তা শিখিয়েছিলেন 'মনোবিদ' শাহরুখ। সমালোচকদের কাছেও এ ছবি যথেষ্ট প্রশংসা কুড়ায়।

মাই নেম ইজ খান
করণ জোহর পরিচালিত এই ছবির হাত ধরে অনেক দিন পর শাহরুখ-কাজল জুটিকে বড় পর্দায় দেখতে পায় ভক্তরা। তবে জুটির জনপ্রিয়তাকেও ছাপিয়ে গিয়েছিল ছবির রসদ। অ্যাসপারজার্স সিনড্রোমে আক্রান্ত শাহরুখ (রিজওয়ান) এবং তার সঙ্গী হিসাবে কাজলের (মন্দিরা) অভিনয় প্রশংসা কুড়ায়। শত বিপত্তির মাঝেও জীবনের ওপর ভরসা রাখতে শেখায় এই 'মাই নেম ইজ খান'।

তারে জামিন পর
আমির খানের প্রযোজনা ও পরিচালনায় ২০০৭ সালে মুক্তি পায় 'তারে জামিন পর'। বলিউডের জনপ্রিয়তম ছবিগুলোর তালিকায় অনায়াসে এ ছবির নাম উঠে আসে। আমির খানের সঙ্গে শিশু অভিনেতা দর্শিল সাফরি মুগ্ধ করেন দর্শকদের। ৮ বছরের ঈশান ডিসলেক্সিয়া রোগে আক্রান্ত। সমাজ, বিদ্যালয় এমনকি বাবা-মাও যখন তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তখন তাকে আগলেছেন 'নিকুম্ভ স্যার'। এ ছবি বাবা-মায়েদের জন্য শিক্ষণীয় হয়ে রয়েছে।

ছিছোরে
সুশান্ত সিং রাজপুতের জীবদ্দশায় শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি 'ছিছোরে'। বক্স অফিসেও এ ছবি সাফল্য পায়। সুশান্ত, শ্রদ্ধা কাপুররা এ ছবিতে শিখিয়েছেন মানসিক অবসাদের সঙ্গে কিভাবে লড়াই করতে হয়। হাল না ছেড়ে জীবনের প্রতিবন্ধকতাগুলো একে একে পেরিয়ে যাওয়াই ছবির মূল প্রতিপাদ্য। একই সঙ্গে স্কুল-কলেজের পরীক্ষায় সাফল্যই যে শেষ কথা নয়, সেই বার্তাও দেয় 'ছিছোরে'।

কার্তিক কলিং কার্তিক
২০১০ সালে মুক্তি পায় দীপিকা পাড়ুকোন এবং ফারহান আখতার অভিনীত 'কার্তিক কলিং কার্তিক'। বক্স অফিসে এই ছবিও সাফল্যের মুখ দেখেছিল। কার্তিকের (ফারহান) মানসিক অবসাদকে কেন্দ্র করেই এই ছবির কাহিনি গড়ে ওঠে। মনের অসুখ সারাতে কার্তিকের পাশে থেকেছে সোনালি (দীপিকা)।