বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, 'শত বাধা অতিক্রম করে দলের নেতাকর্মীরা সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন। বিভাগীয় সমাবেশগুলো মহাসমাবেশে পরিণত হচ্ছে। তা দেখে সরকারের লোকজন উন্মাদ হয়ে আবোল-তাবোল বকছে।'
শনিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। ময়মনসিংহে বিভাগীয় সমাবেশে যোগ দিতে আসা নেতা-কর্মীদের ওপর পথে পথে সশস্ত্র আক্রমণ, মোবাইল ও টাকা পয়সা ছিনতাই, গাড়ি ভাঙচুর এবং সাবেক ছাত্রদল নেতা আশিককে তুলে নেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেন দলটির নেতাকর্মীরা। মিছিলটি নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে কাকরাইল হয়ে আবার নয়াপল্টনে এসে শেষ হয়।
রিজভী বলেন, 'নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে করে, বাধা দিয়ে বিএনপিকে দমানো যাবে না বরং প্রতিটি হামলার জবাব জনগণ দেবে। শত বাধা পেরিয়ে চট্টগ্রামের পর ময়মনসিংহের সমাবেশ নেতাকর্মীরা সফল করেছেন।'
তিনি বলেন, 'সরকারের পায়ের তলায় মাটি নেই। তাই বিএনপির বিশাল সমাবেশ দেখে তারা উন্মাদ হয়ে গেছে।'
রিজভী আরও বলেন, 'সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সারাদেশের মানুষ জেগে উঠেছে। সাধারণ মানুষ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি জনতা বিএনপির সমাবেশে যোগ দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। গণতন্ত্র ফেরাতে মানুষের অধিকার রক্ষার আন্দোলনে গোটা জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। বিএনপির সমাবেশ মহাসমাবেশে পরিণত হতে দেখে হাছান মাহমুদ সাহেবরা উল্টাপাল্টা বকছেন।'
রিজভীর নেতৃত্বে মিছিলে আরও অংশ নেন দলটির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, যুবদল নেতা গোলাম মাওলা শাহীন, খন্দকার এনামুল হক এনাম, ওমর ফারুক মুন্না, মো: জিন্নাহ, আলমগীর কবির সেলিম, মো: আতাউর রহমান, রবিউল ইসলাম নয়ন, মশিউরর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ডা. জাহিদ হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা আবুল হাসান, আমিনুর রহমান আমিন, ছাত্রদল নেতা মাসুদুর রহমান, রাজু আহমেদ, সোহেল রানাসহ কয়েক শতাধিক নেতা-কর্মী।