রাজনৈতিক বন্দি, সাংবাদিক ও বিদেশি নাগরিকদের আটক করে রাখার জন্য পরিচিত ইরানের কুখ্যাত ইভিন কারাগারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, কারাগারের ভেতর থেকে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া উড়ছে। এসময় গোলাগুলি ও সাইরেনের শব্দ শোনা গেছে।
রোববার (১৫ অক্টোবর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে একজন কর্মকর্তা বলেছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে যে আগুন জ্বলছে।
ঘটনাস্থলে রয়েছে দমকলকর্মীরা। এছাড়া খবর পাওয়ার পর পরই ওই এলাকায় বিশেষ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তবে রাজধানী তেহরানের উপকণ্ঠে কারাগারে আগুন লাগার কারণ এখনো স্পষ্ট নয়।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, বন্দীদের স্বজনরা কারগারের প্রধান দরজার সামনে জড়ো হয়েছে। তারা বলছে, আমরা আগুন এবং ধোঁয়া দেখতে পাচ্ছি।
কয়েক সপ্তাহ ধরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে বিপর্যস্ত ইরান। গত সেপ্টেম্বর মাসে পুলিশ হেফাজতে ২২ বছর বয়সী কুর্দি ইরানি মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর থেকে দেশটিতে বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে। ইরানের কর্মকর্তারা বলেছেন যে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন, তবে তার পরিবার এই বিষয়ে বিরোধিতা করে বলেছে যে তাকে নৈতিকতা পুলিশ মারধর করেছে।
বিবিসি ইরানের প্রতিনিধি রানা রহিম বলেছেন, কারাগারের পরিস্থিতি সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সঙ্গে যুক্ত কিনা তা এখনও জানা যায়নি। তিনি বলেন, সম্প্রতি শত শত বিক্ষোভকারীকে ইভিন কারাগারে বন্দী করা হয়েছে।