জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ত্রিপুরা মাতৃভাষা ‘ককবরক’ ভাষায় অনুবাদ হয়েছে। ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর সন্তান ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী যুবরাজ দেববর্মা বইটি অনুবাদ করেন।
অনুবাদক যুবরাজ দেববর্মা বলেন, ‘‘বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসা থেকেই ‘ককবরক ভাষায়’ বইটি অনুবাদের কাজ করেছি। প্রায় দুই বছর কাজ শেষে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুবাদের কাজটি শেষ হয়। ইচ্ছা ছিল বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতেই গ্রন্থটি প্রকাশ করার। কিন্তু পৃষ্ঠপোষকের অভাবে তা হয়নি। পান্ডুলিপিটি এখন প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, ‘‘অনেক ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মতো ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর ‘ককবরক’ ভাষাটিও এখন বিপন্ন প্রায়। ২০১২ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ প্রকাশ পেলে ‘ককবরক’ ভাষা নিয়ে কিছু করার চেষ্টা করি। অতীতে ককবরক ভাষার স্বতন্ত্র বর্ণমালা হয়তো ছিল। এখন রোমান হরফে লেখাপড়া চলে।’’
দেববর্মার বাড়ি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ডলুছড়া ত্রিপুরা পল্লীতে। তিনি কুমিল্লা বিশ^বিদ্যালয় থেকে ২০১৮ সালে নৃ-বিজ্ঞানে মাস্টার্স শেষ করেছেন। এখন অন্য কিছু করার চেষ্টায় আছেন।