৩০ বছরে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

২৯ বছর পেরিয়ে ৩০ বছরে পা রাখছে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের নির্ভরযোগ্য আশ্রয়স্থল বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)। এই দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠিানটি দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে এসএসসি থেকে শুরু করে পিএইচডি পর্যায়ে শিক্ষাদান করে আসছে। 

শিক্ষার সাথে কর্মসংস্থানের যোগসাজশ তৈরির লক্ষ্যে ১৯৯২ সালের ২১ অক্টোবর জাতীয় সংসদে ১৯৯২ সনের ৩৮ নং আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ভৌগোলিক সীমারেখা ছাড়িয়ে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম দেশে ও বিদেশে ব্যাপক বিস্তৃতি লাভ করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টি নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের অ্যাকাডেমিক ডিগ্রি অর্জন সহজতর করে দিয়েছে। কর্মক্ষেত্রে থেকেও খুব সহজে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে ডিগ্রি অর্জন করেছে লাখ লাখ শিক্ষার্থী। 

বাউবি নিজস্ব প্রণীত সহজবোধ্য পাঠ্যপুস্তক, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ায় এবং ব্লেডেড পদ্ধতিতে এসএসসি থেকে এমফিল, পিএইচডি পর্যন্ত বিভিন্ন প্রোগ্রাম পরিচালনা করে আসছে। বাউবি দেশের একমাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় যেটি উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে দেশের আপামর জনগোষ্ঠিকে শিক্ষিত করার গুরুদায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে।

গাজীপুরের বোর্ড বাজার এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ৩৫ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ৫৭টি ফরমাল অ্যাকাডেমিক প্রোগ্রাম ও ১৯টি নন ফরমাল প্রোগ্রামে এসএসসি থেকে পিএইচডি প্রোগ্রাম পর্যন্ত দেশজুড়ে এক হাজার ৫৭৬টি স্টাডি সেন্টারের মাধ্যমে ছয় লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে পাঠদান করছে বাউবি। দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত ১২টি আঞ্চলিক কেন্দ্র এবং ৮০টি উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের মাধ্যমে শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন, পাঠ সামগ্রী বিতরণসহ শিক্ষাবিষয়ক কর্মকাণ্ড সমন্বয় ও তদারকি করা হয়ে থাকে। স্টাডি সেন্টারগুলোতে মাসে দু'দিন টিউটোরিয়াল ক্লাস পরিচালনার জন্য ২৬ হাজার শিক্ষক সম্পৃক্ত রয়েছেন।