লোডশেডিংয়ের মধ্যে অন্ধকারেই চলছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের স্নাতক (অনার্স) দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষসহ স্নাতকোত্তরের (মাস্টার্স) চূড়ান্ত (ফাইনাল) পরীক্ষা গ্রহণ। এ বিষয়ে গত ১৮ অক্টোবর দেশ রূপান্তরে ‘লোডশেডিংয়ে অন্ধকারে পরীক্ষা’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশের পর পরীক্ষার্থীদের জন্য আলোর ব্যবস্থা করতে নামমাত্র উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনটি প্রকাশের পরদিনই সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে এসি-ডিসি লাইটের (বিদ্যুৎ চলে গেলেও কিছু সময় জ্বলে এমন বৈদ্যুতিক বাতি) ব্যবস্থা করা হয়। যদিও তা চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত নয়। এর আগে গত ১২ অক্টোবর পরীক্ষার সময় এসি-ডিসি লাইটের ব্যবস্থা করেছিল কবি নজরুল সরকারি কলেজ। তবে বাদবাকি কলেজগুলোতে এখনো এ ধরনের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তারা আরও জানান, পরীক্ষার কেন্দ্রে একটি কক্ষে একটি করে এসি-ডিসি লাইট দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বড় বড় এসব কক্ষে একটি করে বাতি পর্যাপ্ত আলোর জোগান দিতে পারছে না। আর লোডশেডিংয়ের সময় তীব্র গরমের মধ্যে পরীক্ষা দেওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ে। গরমে হাত ঘেমে যায়। ঠিকভাবে লেখা যায় না। পরীক্ষার সময় লোডশেডিং এড়ানো অথবা জেনারেটর বা অন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিতে অধ্যক্ষদের দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তবে পরীক্ষার সময় লোডশেডিং সমস্যার সমাধানে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ইডেন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সুপ্রিয়া ভট্টাচার্য।