দীর্ঘ ১৫ বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে জয়ের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ। ২০০৭ সালে এই সংস্করণের বিশ্ব টুর্নামেন্টের অভিষেক আসরের প্রথম ম্যাচেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছিলেন আশরাফুলরা। তারপর আর কোনো জয় পায়নি টাইগাররা। ২০১৪ বিশ্বকাপ থেকে সুপার টুয়েলভ যুক্ত হলেও, সেখানে এতদিন কোনো জয় ছিল না টাইগারদের।
অবশেষে আজ হোবার্টে কাঙ্খিত সেই জয়ের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ। নেদারল্যান্ডসকে ৯ রানে হারায় সাকিবের নেতৃত্বাধীন টাইগাররা। এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তাসকিন আহমেদ। ৪ ওভার বল করে তিনি ২৫ রান দিয়ে নিয়েছেন চারটি উইকেট। অসাধারণ এই বোলিং নৈপুণ্যে ম্যাচসেরার পুরস্কারটাও উঠেছে তার হাতেই।
পুরস্কার নিতে এসে তাসকিন বলছিলেন, ‘এই জয়টা আমাদের খুব দরকার ছিল। দল হিসেবে আমরা খুবই ভালো খেলেছি। আমি নিজে অবদান রাখতে পেরেছি। ভালো লেগেছে।’
নিজের বোলিংয়ের প্রসঙ্গে তাসকিন যোগ করেন, ‘আমি মৌলিক বিষয়গুলো ঠিকঠাক মতো করার জন্য চেষ্টা করেছি। প্রথম ইনিংসে নেদারল্যান্ডসের বোলিং দেখছিলাম। ভালো মুভমেন্ট ছিল। ক্যারিও ছিল। সে জন্য আমি টেস্ট ম্যাচ লেংথে বল করেছি। দুই দিকে বল মুভ করাতে চেয়েছি। এটাই কাজে দিয়েছে।’
একটি ক্যাচ নিয়ে ফিল্ডিংয়েও অবদান রেখেছেন তিনি, ‘হ্যাঁ, আমি চেষ্টা করেছি যে কোনো জায়গা থেকে যেন দলের জয়ে সাহায্য রাখতে পারি।’
তাসকিনের এক একটি উইকেটের সময় টিভি ক্যামেরা ঘুরে ফিরে বাংলাদেশ দলের পেস বোলিং কোচ অ্যালান ডোনাল্ডের দিকে যাচ্ছিল। ম্যাচ সেরার মঞ্চে দাঁড়িয়ে ডোনাল্ডের প্রসঙ্গও এল। প্রোটিয়া কিংবদন্তির প্রসঙ্গে তাসকিন যোগ করেন, ‘বোলিংয়ের সময় আমার কবজির অবস্থান ভালো হচ্ছে। আমি দুই দিকেই বল মুভ করাতে পারি। আমি উন্নতিতে মনোযোগ দিচ্ছি। আমি বিশ্বমানের বোলার হতে চাই।’