যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু বলেছেন, যে কোনো সময়ে চূড়ান্ত আন্দোলনের ডাক আসবে। সেই আন্দোলনের সর্বাত্মক প্রস্তুতি সবাইকে নিতে হবে। এবারের লড়াইটা শুধু অস্তিত্ত্ব রক্ষার লড়াই হবে না। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব থাকবে কি থাকবে না, দেশের গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকার থাকবে কি থাকবে না তা নির্ধারণের লড়াই। ডু অর ডাই হিসেবে এবারের আন্দোলনের জন্য যুবদলের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে তৈরি থাকতে হবে। যুবদলই হবে আন্দোলনের ফলাফলের নির্ধারক।
সোমবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে ভাসানী মিলনায়তনে রাজধানীর যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের উদ্যোগে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
টুকু বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের প্রস্তুতি হিসেবে এবারের যুব সমাবেশ হবে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় সমাবেশ। এই সমাবেশ থেকেই সারাদেশের যুবসমাজকে পরিবর্তনের বার্তা দেওয়া হবে। দেশকে রক্ষা, দেশের জনগণের আশা-আকাঙ্খা রক্ষায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, যে আন্দোলন শুরু করেছেন তা যুবসমাজকেই এগিয়ে নিতে হবে, চূড়ান্ত রূপ দিতে হবে।
যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোনায়েম মুন্না বলেন, যে কোনো পরিবর্তনে যুবসমাজ প্রধান ভূমিকা পালন করে। এবারের সংগ্রামেও যুবদল নেতৃত্ব দেবে। এখন আর পেছনে ফিরে তাকানোর সময় নেই। থমকে যাওয়ার কারণ নেই। ভয় পাওয়ারও কিছু নেই। সরকারের পায়ের তলা থেকে মাটি সরতে শুরু করেছে। তাদের মসনদে কাঁপন শুরু হয়েছে। এখন তারেক রহমানের নির্দেশনার অপেক্ষা শুধু। তার একটি ডাকে সবাইকে সর্বোচ্চ উজাড় করে রাজপথে নেমে আসতে হবে। বিজয় আমাদের হবেই।
মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক গোলামা মাওলা শাহীনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব খন্দকার এনামুল হক এনামের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদ হোসেন মিন্টু, এম এ জিন্নাহ, মাহবুবুল হক জ্যামি, এম এ গাফফার, ওমর ফারুক মুন্না, রবিউল ইসলাম নয়ন প্রমুখ।
বক্তারা সংগঠনকে শক্তিশালী করতে দ্রুত সময়ের মধ্যে কেন্দ্রীয় কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ করার পাশাপাশি মহানগর যুবদলকেও ঢেলে সাজানোর আহ্বান জানান।