ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে দেশের অন্যান্য স্থানের মতো উপকূলীয় এলাকা ঝালকাঠিতেও ঝোড়ো হওয়া ও ভারী বৃষ্টি হয়েছে। ফলে উপড়ে পড়েছে গাছ, ভেঙে গেছে অসংখ্য ঘরবাড়ি। সোমবার থেকে বন্ধ রয়েছে বিদ্যুৎ।
ঝালকাঠি পল্লী বিদ্যুৎ জানিয়েছে, দুপুরের মধ্যে জেলা সদরসহ চার উপজেলার সদর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালুর জন্য তারা কাজ করছেন। পুরো জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে তাদের অন্তত দুই দিন সময় লাগবে।
ঝড়ের প্রভাবে সুগন্ধা ও বিশখালী নদীতে অন্তত দুই থেকে তিন ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে জেলা সদরের দিয়াকুল কিস্তাকাঠি, কেফায়েত নগর লঞ্চঘাট এলাকার সবুজবাগান, বারইকরণ, ভবানিপুর, রাজাপুর উপজেলার চল্লিশ কাহনিয়া, বড়ইয়ার পালট এলাকা, কাচারীবাড়ি, কাঠালিয়ার শৌলজালিয়া, কচুয়া, সদর এলাকা, আমুয়াসহ অন্তত পঁচিশটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
কৃষি ক্ষেত, কয়েকশত মাছের ঘের তলিয়ে গেছে। গাছপালা ভেঙে রাস্তার উপরে পড়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ঝড়ে অন্তত শতাধিক বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক জোহর আলী জানান, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে অন্যান্য জেলার মত ঝালকাঠিতেও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভুক্তভোগীদের তালিকা করে ক্ষতিগ্রস্তদের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।