জিম্বাবুয়ে হতে চায় নেদারল্যান্ডস

ভারতের বিপক্ষে টানটান উত্তেজনা ছড়িয়ে শেষ বলে হেরে যায় পাকিস্তান। তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জিতে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশাই ছিল পাক সমর্থকদের। কিন্তু তাতে জল ঢেলে দিয়ে সিকান্দার রাজারা লড়াই করে বাবর আজমদের হারিয়ে দেন ১ রানে। টানা দুই হারে খাদের কিনারে ২০০৯ চ্যাম্পিয়নরা। আশা যেটুকু বেঁচে আছে, তা কেবল সমীকরণের মারপ্যাচেই। এমন পরিস্থিতিতে আজ তারা মুখোমুখি তাদের মতোই জয়শূন্য নেদারল্যান্ডসের। যেটুকু আশা বেঁচে আছে সেজন্য পাকিস্তানকে আজ শুধু নয়, বাকি দুই ম্যাচও জিততে হবে। তারপরও পার্থনা করতে হবে অন্য প্রতিপক্ষদের হার।

এর আগে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে একবারই খেলেছে পাকিস্তান। ২০০৯ বিশ্বকাপ জয়ের পথে গ্রুপ পর্বে নিজেরা ১৭৬ রান করে ডাচদের ৯৩ রানেই গুঁড়িয়ে দেয়। অতীতের জয়ে মানসিকভাবে অনুপ্রেরণা নিতেই পারে পাকিস্তান। যদিও তাদের সাম্প্রতিক ফর্ম যাচ্ছেতাই। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারের পর টুর্নামেন্টে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে মনোযোগী তারা। ‘দুর্বল’ নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ক্রিকেটীয় মান ও অভিজ্ঞতায় অনেক পার্থক্য। তাই জয়ের পাল্লাটা বাবর আজমদের দিকেই ভারী। তবে এই বিশ্বকাপে হৃদয়ভাঙা অঘটনের স্মৃতির পাতা ভরাট হচ্ছে বেশি। তাই ডাচদের হালকাভাবে নিলে মাশুল দিতে হতে পারে পাকিস্তানকে।

পাকিস্তানের পেসার হারিস রউফ বলেছেন, ‘গত বিশ্বকাপে আমাদের শুরুটা হয়েছিল দুর্দান্ত। তবে মানতে দ্বিধা নেই, এবার আমাদের শুরুটা প্রত্যাশামতো হয়নি। কারণ দুটো জেতা ম্যাচ আমাদের হাত থেকে ফসকে গেছে। ভক্তরা আঘাত পেয়েছেন। তবে ক্রিকেট খেলায় জয়-পরাজয় থাকবেই।’ তাই জয়ে ফেরার চেষ্টায় বিভোর পাকিস্তান নিজেদের ভুল-ত্রুটি নিয়ে আলোচনা করেছে জানিয়ে রউফ বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে বসে নিজেদের ভুলগুলো নিয়ে আলোচনা করেছি, সেগুলো কাটিয়ে ওঠার উপায় খুঁজে নিয়েছি। এখনো টুর্নামেন্টে আমাদের তিনটি খেলা বাকি আছে। সবগুলোতেই জয়ের জন্য মাঠে নামব আমরা।’

জিম্বাবুয়ের জয় থেকে অনুপ্রাণিত নেদারল্যান্ডসের ভারপ্রাপ্ত কোচ রায়ান কুক পাকিস্তানকে সতর্কবার্তা দিয়েছেন, ‘আমরাও পাকিস্তানকে হারানোর লক্ষ্যেই কাল (আজ) খেলব। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাকিস্তানের হারের পর আমাদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেছে। বিশ্বকাপের আগেই আমরা ঘরের মাঠে পাকিস্তানের সঙ্গে সিরিজ খেলেছি। আমরা আশা করি তাদের বিপক্ষে হাড্ডাহাড্ডি একটি লড়াই হবে।’