এখন মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নেই: বিএনপি

সিলেট জেলা বিএনপি’র সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আ ফ ম কালামকে প্রকাশ্যে গাড়ি থেকে নামিয়ে উপর্যপুরি ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় প্রমাণিত হয়েছে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। মানুষের জীবনের নিরাপত্তা সরকার দিতে পারছে না। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা অবিলম্বে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় জোর দাবি জানিয়েছে।

সোমবার (৭ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল সভার সিদ্ধান্ত জানাতে বুধবার (৯ নভেম্বর) দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারবিরোধী আন্দোলনের জন্য সারাদেশের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করেছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। উজ্জ্বীবিত নেতাকর্মীরা সরকারি বাধা অতিক্রম করে সমাবেশগুলো সফল করছে। এর মাধ্যমে তারেক রহমানের অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সারাদেশে জনগণের দাবি নিয়ে রাজপথে কর্মসূচি দেওয়ায় জনগণ একনায়কতান্ত্রিক ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি হয়েছে। জনগণ স্বতঃস্ফুর্তভাবে আন্দোলন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দ্রুত এই আন্দোলনকে যৌক্তিক পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে বিএনপি।’

এতে বলা হয়, সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল নেতা অমিত হাসান অনীক আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নির্যাতনে মৃত্যুবরণ করেছেন। অবিলম্বে হত্যাকারীদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। একইভাবে বরিশালের জনসমাবেশ থেকে ফেরার পথে ঢাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সংসদ সদস্য মিসেস সুলতানা আহমেদকে উঠিয়ে নিয়ে পরে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নিম্ন আদালতে ২ দিনের রিমান্ডে দেওয়ার ঘটনা অনির্বাচিত সরকারের দমন নীতির অংশ। চলমান আন্দোলনকে নস্যাৎ করার জন্য সরকার গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার আশ্রয় নিচ্ছে। অবিলম্বে সুলতানা আহমেদসহ কারাবন্দি সকল নেতা-কর্মীদের মুক্তি দিতে হবে। গ্রেপ্তারকৃত নেতা-কর্মীদের আইনি সহায়তা প্রদানের জন্য জেলা আইনজীবী ফোরামকে অনুরোধ করেন স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।

তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অংশ নেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যরিষ্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।