আগুনে পুড়িয়ে মারার রেকর্ড আ.লীগের : রিজভী

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, ‘শত বাধার পরও বিএনপির আন্দোলনে দলে দলে মানুষ শামিল হচ্ছে। হঠাৎ আতঙ্কিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগুন-সন্ত্রাসের কথা বলছেন। তার মানে অতীতের মতো সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার লোকরা বাসে পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করে তার দায় বিএনপির ওপর চাপিয়ে দেবে।’ 

গতকাল শুক্রবার বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘বিএনপির শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নিতে কোটি  কোটি টাকা খরচ করে সরকার নিজেদের লোক ও গোয়েন্দা সংস্থাকে দিয়ে বাসে আগুন লাগিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মেরে বিএনপির ওপর দোষ চাপিয়েছে। এসব ঘটনা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়েছে। এখন আবার আগ বাড়িয়ে শেখ হাসিনা অগ্নি-সন্ত্রাসের কথা বলছেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য রহস্যজনক। এই কাজ আওয়ামী লীগ বহুবার করেছে। আবারও করবে।’

তিনি বলেন, ‘আগুনে পুড়িয়ে মারার রেকর্ড আওয়ামী লীগের। ২০০৪ সালের ৪ জুন শেরাটন হোটেলের সামনে বিআরটিসি বাসে আগুন দিয়ে ১১ যাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যায় জড়িত ছিলেন তৎকালীন যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক ও মির্জা আজম। এটা আদালতে প্রমাণিত হয়েছিল। ২০১৩ সালে আওয়ামী লীগ সরকার তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়।’

রিজভী বলেন, বিএনপি নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বিশ্বাসী। অথচ গত রবিবার জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বিএনপি ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে পেট্রোল বোমা দিয়ে বা আগুন লাগিয়ে সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে আন্দোলনের নামে। সাধারণ মানুষের গায়ে কেউ হাত দিলে তাদের রেহাই নাই।’