দুই পরিবারের বিরোধে খুন হন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা

বাগেরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম ভূঁইয়া তানু হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে নয়জনকে অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ। গত শনিবার রাতে পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ বলছে, আটক ব্যক্তিরা হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে বলেছেন, দুই পরিবারের বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

গত শুক্রবার রাতে বাগেরহাট শহরের পূর্ব বাসাবাটি পদ্মপুকুরপাড় এলাকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ৩৫ বছর বয়সী আলম ভূঁইয়া তানু নিহত হন। নিহতের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা বাদী হয়ে ফরিদ শেখকে প্রধান করে ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে বাগেরহাট মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

গতকাল রবিবার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক জানান, আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন ফরিদ শেখ, মনির, রাতুল, সিরাজুল, আল আমিন, সুমন, সোহাগ, মুকুল শেখ এবং কবির। তাদের সবার বাড়ি পূর্ব বাসাবাটি এলাকায়। এর মধ্যে কবির শেখ বাদে সবাই হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

পুলিশ সুপার জানান, তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও একটি গুলি রয়েছে। পিস্তলটি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছিল।

এসপি আরিফুল হক বলেন, ‘স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে পূর্ব বিরোধ ছিল, সেই বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে। হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা পাইনি। তানু স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতা ছিলেন। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।