আফতাবের বিরুদ্ধে লাভ জিহাদের অভিযোগ খুন হওয়া শ্রদ্ধার বাবার

ভারতজুড়ে তোলপাড় করা দিল্লির শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত আফতাবের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন মৃত তরুণীর বাবা বিকাশ ওয়াকার। তিনি এই ঘটনায় ‘লাভ জিহাদ’ থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছেন। এই আবহে আফতাবের  মৃত্যুদণ্ডের দাবি করেছেন বিকাশ।

ঘটনা প্রসঙ্গে শ্রদ্ধার বাবা বলেন, ‘আমার লাভ জিহাদের অ্যাঙ্গেল নিয়ে সন্দেহ হচ্ছে। আমরা আফতাবের মৃত্যুদণ্ড দাবি করছি। আমি দিল্লি পুলিশকে বিশ্বাস করি এবং তদন্ত সঠিক দিকে এগোচ্ছে। শ্রদ্ধা তার মামার কাছাকাছি ছিল এবং আমার সাথে বেশি কথা বলত না। আফতাবের সাথে আমার কখনও কথাবার্তা হয়নি। আমি মুম্বাইয়ের ভাসাইতে প্রথম অভিযোগ দায়ের করেছিলাম আফতাবের নামে।’  

বিকাশ ওয়াকার বলেন, ‘আমি আফতাবকে দেখেছিলাম। কিন্তু কোনওদিন কথা বলিনি। আমি তাকে পছন্দ করতাম না। আমি চাইতাম না আমার মেয়ে তার সঙ্গে থাকুক। কিন্তু এমনটা যে ঘটে যেতে পারে তা কোনওদিন ভাবিনি।’

শ্রদ্ধার বাবা বলেন, ‘মেয়ে কোনওদিন নির্যাতনের কথা বলত না। কিন্তু আফতাব আমার মেয়েকে মারত। ওর বন্ধুরাই বলেছে। আফতাবের ফাঁসি চাইছি।’ তার কথায়, ‘২০২১ সালে মেয়েকে ফোন করেছিলাম। জিজ্ঞাসা করেছিলাম কোথায় আছ? বলেছিল বেঙ্গালুরুতে চাকরি করছে। আসলে সে আফতাবের সঙ্গে দিল্লিতে থাকত। ওদের ধর্ম আলাদা থাকার জন্য় এই সম্পর্ক মানতে পারিনি।’

দিল্লির মেহুরাউলিতে একসঙ্গে থাকতেন আফতাব আমিন পুনাওয়ালা এবং তার প্রেমিকা শ্রদ্ধা। সেই ফ্ল্যাটেই শ্রদ্ধাকে খুন করে তার দেহের ৩৫ টুকরো করেছিল আফতাব। মোট ১৮ দিন যাবৎ শ্রদ্ধার মৃতদেহের অংশগুলি বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ফেলে এসেছিল আফতাব। এই ১৮ দিনের সময়কালে নিজের ফ্ল্যাটে একাধিক যৌনসঙ্গীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল আফতাব।

জেরায় আফতাব জানিয়েছে, শ্রদ্ধা তার ওপর বিয়ে করার জন্য চাপ দিচ্ছিল। তবে পুলিশ জানতে পেরেছে, শ্রদ্ধার সঙ্গে সম্পর্কে থাকা সত্ত্বেও ডেটিং অ্যাপ ব্যবহার করে চলছিল আফতাব। যা নিয়ে দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য লেগেই থাকত।

আরও পড়ুন...

ফ্রিজে প্রেমিকার টুকরো করা মৃতদেহ, বিছানায় নিত্যনতুন সঙ্গীনি!

ফেসবুকে উদার, নারীবাদী! প্রেমিকাকে কেটে করলেন ৩৫ টুকরা!