ব্যাটিংয়ে উজ্জ্বল ইয়াসির, বোলিংয়ে তাইজুল-ইবাদত

তামিম ইকবাল সুবিধা করতে না পারলেও মুশফিকুর রহিম ফিফটি ছোঁয়া ইনিংস খেললেন। দারুণ ব্যাটিংয়ে আলো কাড়লেন ইয়াসির আলি। সুবাদে তাইজুলের স্পিন ঘূর্ণির পরও আড়াইশ পেরোনো পুঁজি পেল ইসলামি ব্যাংক ইস্ট জোন। যা তাড়া করতে নেমে মুমিনুল হক, মোসাদ্দেক হোসেন, মোহাম্মদ মিঠুনরা চূড়ান্ত ব্যর্থ হলেন। বিসিবি সেন্ট্রাল জোনকে তাই বড় হারের স্বাদ পেতে হলো।

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ওয়ানডে সংস্করণে রবিবার সেন্ট্রাল জোনকে ১১৪ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ইস্ট জোন। বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে ২৫৫ রান তাড়া করতে নেমে ১৪০ রানেই গুটিয়ে যায় মোসাদ্দেকের নেতৃত্বাধীন সেন্ট্রাল জোন।

বিসিএলে এবার তারার মেলা বসেছে। সামনেই ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ। তাই জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা কেমন করে সেনিয়েও কৌতূহল সবার।

ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ও মুশফিক একই দলে খেলেছেন। তবে এদিন ইস্ট জোনকে এদিন নেতৃত্ব দিয়েছেন মুশফিক।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে চার বল বাকি থাকতে ২৫৪ রানে অলআউট হয় ইস্ট জোন। ইয়াসির আলি সর্বোচ্চ ৮০ রান করেন। তার ৭৩ বলের ইনিংসে ছিল ৪ চার ও ৫ ছক্কা।

মুশফিক ৭৭ বলে ৪৪, আফিফ ২৮ বলে ২৭ রান করেন। তামিম ১৮ রান করেন ২৯ বলে। আরেক ওপেনার মাহমুদুল হাসান ৮ বলে ১ ও তিনে নামা ইমরুল কায়েস ৮ বলে ৪ রান করেন।

জবাবে সেন্ট্রাল জোন দারণ শুরু পায়। বিনা উইকেটে ৫৭ রান করে ফেলে দলটি। কিন্তু সেখান থেকে ইবাদত হোসেন, রেজাউর রহমান রাজ, মেহেদি হাসানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৩৩ ওভারে ১৪০ রানে গুটিয়ে যায় দলটি।

নাজমুল হোসেন শান্ত ৫৩ বলে ৩৮ রান করেন। আব্দুল মজিদ ৪৪ বলে ২৭, সৌম্য সরকার ২৩ বলে ১৯ রান করেন। ইস্ট জোনের হয়ে ইবাদত সর্বাধিক ৪ উইকেট নেন। মেহেদী ও রেজাউর রাজা নেন তিনটি করে উইকেট। ম্যাচসেরা হয়েছে ইয়াসির আলি। অন্য ম্যাচে নর্থ জোনকে ৭২ রানে হারিয়েছে সাউথ জোন।