জাপানের বিপক্ষে সতর্ক থাকবে জার্মানি

দুই সাবেক চ্যাম্পিয়নকে আজ চলতি বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ খেলতে দেখব আমরা। সন্ধ্যা ৭টায় চারবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মানি খেলবে জাপানের বিপক্ষে। ২০১০ আসরের চ্যাম্পিয়ন স্পেনের প্রতিপক্ষ কোস্টারিকা। যে ম্যাচটি শুরু হবে রান ১০টায়।

গত বিশ্বকাপে জার্মানি গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে হেরেছিল তারা। এবার জার্মানির প্রথম লক্ষ্যই থাকবে নক আউট পর্বে যাওয়া। এ জন্য জাপানের বিপক্ষে খুবই সতর্ক থেকে পারফর্ম করার চেষ্টা করবে হান্স ফ্লিকের দল।

সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ম্যাচে জার্মানিকে দেখেছি তিনজন ডিফেন্স নিয়ে খেলতে। বলা যায় ৩-৪-৩ ফর্মেশনে। তবে জাপানের সঙ্গে মনে হয় ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে খেলবে ওরা। আক্রমণভাগ সাজাতে পারে থমাস মুলারকে কেন্দ্র করে। সম্ভবত তাকে টপে রাখা হবে। একদিকে লেরয় সানে ও আরেক দিকে সের্গে জিনাব্রি থাকবে।

জসুয়া কিমিচ ও লেয়ন গোরেটস্কা হয়তো মিডফিল্ডে খেলবে। ডিফেন্স লাইন সাজাতে পারে আন্তোনিও রুডিগার, নিকোলাস সুলে, ডাভিড রাউম ও টিলো কেরারকে নিয়ে। গোলপোস্টে তো ম্যানুয়ের নয়ার থাকবে। জাপান ও আমার মনে হয় ৪-২-৩-১ ফর্মেশনেই খেলবে। এই ম্যাচে জার্মানিই এগিয়ে থাকবে। স্কোর লাইন ১-০ বা ২-০, এমন হতে পারে।

কোস্টারিকার বিপক্ষে স্পেন অবশ্যই ফেভারিট থাকবে। ৪-৩-৩ ফর্মেশনে খেলে থাকে ওরা। সের্হিও বুসকেতসের সঙ্গে মিডফিল্ডে দুই তরুণ গাভি ও পেদ্রি অবশ্যই লুইস এনরিকের প্রথম পছন্দ হবে। উইংব্যাকে আমার মনে হয় জর্দি আলবা ও দানি কারভাহাল খেলবে। এখানে দেখার হবে সেন্ট্রারব্যাক পজিশনে কে খেলে। আমার ধারণা এমেরিক লাপোর্ত খেলবে। লাপোর্তের সঙ্গে পাউ তরেস কিছু কিছু ম্যাচ খেলেছে। কিছু ম্যাচ এরিক গার্সিয়া খেলেছে। পোস্টে উনাই সিমোন থাকবে।

আক্রমণভাবে আমার ধারণা একদিকে ফেরান তোরেস খেলবে। আরেক দিকে নতুন খেলোয়াড় নিকো উইলিয়ামস খেলতে পারে। স্ট্রাইকিংয়ে আলভারো মোরাতার ওপরই হয়তো ভরসা রাখবেন কোচ।

স্পেনকে ফেভারিট বলছি। তবে কোস্টারিকাকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। ২০১৪ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছিল তারা। সেবার দলটি সাফল্য পেয়েছিল পাঁচ ব্যাক নিয়ে খেলে। এখন ওরা ৪-২-৩-১ টাইপের ফর্মেশনে খেলে। গত বিশ্বকাপে তারা ভালো খেলেনি। এই বিশ্বকাপে লক্ষ্য থাকবে আগের মতো ভালো কিছু করার। তাই ওরা ম্যাচটা হয়তো ফাইট করতে পারে। তবে স্কোর লাইন ১-০ বা ২-১ থাকতে পারে।

রাত ১টায় রয়েছে আরও একটি ম্যাচ। বেলজিয়ামের প্রতিপক্ষ কানাডা। বেলজিয়াম ওদের চিরাচরিত ৩-৪-২-১ বা ৩-৪-৩ ফর্মেশনে খেলবে। কেভিন ডি ব্রুইনের পজিশন নিশ্চয়ই ওপরের দিকে হবে। হ্যাজার্ড থাকবে। ইনজুরির কারণে লুকাকু থাকবে না। মিচি বাতসুয়াই হয়তো স্ট্রাইকিংয়ে থাকবে।

মিডফিল্ডে একদিকে তমা মুনিয়ে, আরেক দিকে হয়তো ইয়ানিক কারাসকো থাকবে। কানাডা দলে আলফুঁস ডেভিস রয়েছে। ওর অবশ্য ইনজুরি ছিল। খেলবে কিনা সেটা দেখার হবে। আমার মনে হয় বেলজিয়ামের সঙ্গে পেরে ওঠাটা কানাডার জন্য কঠিন হবে। বেলজিয়াম সহজে জিতবে বলে আমি ধারণা করছি।