ব্যাংকগুলোতে টাকা নেই একথা মিথ্যা: শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগের সভানেত্র্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ব্যাংকগুলোতে টাকা নেই বলে অনেকে মিথ্যা গুজব ছড়াচ্ছে। তবে আমি আপনাদের বলছি ব্যাংকে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে যশোরের জেলা স্টেডিয়ামের জনসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।

ব্যাংক থেকে টাকা তুলে রাখা মানে চোরকে সুযোগ দেয়া উল্লেখ্য করে তিনি বলেন, অনেকে ব্যাংকে টাকা নেই শুনে টাকা তুলে ফেলছে।  ঘরে টাকা রাখলে চুরি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। আমি বুধবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের ব্যাংকগুলোতে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রবাসীরাও পর্যাপ্ত রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছে। বিএনপি মানুষের রক্ত চুষে খেয়েছে আর আওয়ামী লীগ দিয়েছে উন্নয়ন। 

শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির কাজই হচ্ছে গুজব ছড়ানো। তাই আপনার গুজবে কান দেবন না। আমাদের এখনও পর্যাপ্ত রিজার্ভ রয়েছে। যেটুকু খরচ হয়েছে, তা মানুষের উন্নয়নেই খরচ হয়েছে।

বেলা ১২টা ২২ মিনিটে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের সভাপতিত্বে সভা শুরু হয়।

এর আগে, সকাল থেকে যশোরের বিভিন্ন উপজেলা ও আশপাশের জেলা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ সমাবেশস্থলে সমবেত হয়েছেন। সমাবেশে যশোর ছাড়াও খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট

সভা পরিচালনা করছেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার।

কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে ইতিমধ্যে বক্তব্য রেখেছেন সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, পিযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল এমপি, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, শেখ সারহান নাসের তন্ময় এমপি, মির্জা আযম, বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জামাল মহিউদ্দিন, ব্যরিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

জনসভা উপলক্ষে যশোর শামস-উল-হুদা স্টেডিয়ামসহ পুরো শহর নিরাপত্তার চাদরে আচ্ছাদিত রয়েছে।

২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর আজ যশোর এসেছেন প্রধানমন্ত্রী। ১৯৭২ সালের ২৬ ডিসেম্বর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একই স্টেডিয়ামে সমাবেশে ভাষণ দিয়েছিলেন। তার প্রায় ৫০ বছর পর তারই কন্যা সেখানে ভাষণ দেবেন। এ কারণে এ সমাবেশকে ঐতিহাসিক বলছেন আওয়ামী লীগের নেতারা।

দলের সভাপতি ও দেশের উন্নয়নে সফল প্রধানমন্ত্রীর যশোর আগমণে উৎসব আমেজ যশোরে। নেতা-কর্মীদের ব্যাপক উৎসাহ। নানান সাজে সাজানো হয়েছে যশোরকে।