ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে ‘পুলিশের গুলিতে’ আহত ছাত্রদল নেতা রফিকুল ইসলাম ওরফে নয়ন মিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় দায়ী পুলিশ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং তাদের হত্যার দায়ে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে বিএনপি। একই সঙ্গে নতুন করে ‘মিথ্যা গায়েবি মামলা’ অবিলম্বে বন্ধ করে ইতিপূর্বে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে দলটি। গত সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল সভার সিদ্ধান্ত জানাতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ক্ষমতাসীন অবৈধ সরকার বেআইনিভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য জনগণের ন্যায়সংগত গণআন্দোলনকে নস্যাৎ করার লক্ষ্যে এ হত্যাকা-ে মেতে উঠেছে। এর আগে ভোলায় দুই, নারাণগঞ্জে এক, মুন্সীগঞ্জে এক, যশোরে এক এবং নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক ও সিলেটে একজন আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হয়েছে। এতে প্রতীয়মান হয় যে, অবৈধ সরকার তাদের কর্তৃত্ববাদী, ফ্যাসিবাদী একনায়কতান্ত্রিক সরকারকে টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে হত্যা, মিথ্যা মামলা ও গ্রেপ্তার করে সর্বগ্রাসী ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করছে।’
বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলা কাপুরুষতা : গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করে বলেছেন, ‘সারা দেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পাশাপাশি আহত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করছে তারা। এসব হামলা নিঃসন্দেহে কাপুরুষতা। অশুভ উদ্দেশ্যেই তারা এ ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।’